প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য আচমকা অসুস্থ। দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। সূত্রের খবর, শুক্রবার দুপুর নাগাদ ওই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য তিনি যান। কিন্তু মীরাদেবীর শারীরিক পরিস্থিতি দেখে তাঁকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে নেওয়া হয়। ওই হাসপাতালে বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. সৌপ্তিক পাণ্ডার তত্ত্বাবধানে রয়েছেন সত্তরোর্ধ্ব মীরা ভট্টাচার্য। হাসপাতাল সূত্রে খবর, এই মুহূর্তে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল, কিন্তু পর্যবেক্ষণের জন্য খানিকটা সময় হাসপাতালে থাকতে হবে। মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে খোঁজ নিয়েছেন একমাত্র সন্তান সুচেতন ভট্টাচার্য। মীরাদেবীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন ঘনিষ্ঠরা।

সত্তরোর্ধ্ব মীরাদেবী ইদানিং খানিকটা অসুস্থ। পারিবারিক সূত্রে খবর, বেশ কয়েকদিন ধরে তাঁর খুব কাশি হচ্ছিল, সেইসঙ্গে শ্বাসকষ্ট ও সামান্য পেটব্যথা। বৃহস্পতিবার বেশ অসুস্থ বোধ করেন। শুক্রবারও শারীরিক অবস্থার বিশেষ উন্নতি হয়নি বলে খবর পান মীরাদেবীর ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধবরা। এরপরই আলিপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা ভর্তি করিয়ে নেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, মীরাদেবীর ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটেছে।

আরও পড়ুন:

বছর দুই আগে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর মৃত্যুর পর বালিগঞ্জের পাম অ্যাভিনিউর বাড়িতে একাই থাকতেন মীরা ভট্টাচার্য। তাঁদের একমাত্র সন্তান সুচেতন অনেকদিন ধরেই অন্যত্র থাকেন। সত্তরোর্ধ্ব মীরাদেবী ইদানিং খানিকটা অসুস্থ। পারিবারিক সূত্রে খবর, বেশ কয়েকদিন ধরে তাঁর খুব কাশি হচ্ছিল, সেইসঙ্গে শ্বাসকষ্ট ও সামান্য পেটব্যথা। বৃহস্পতিবার বেশ অসুস্থ বোধ করেন। শুক্রবারও শারীরিক অবস্থার বিশেষ উন্নতি হয়নি বলে খবর পান মীরাদেবীর ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধবরা। এরপরই আলিপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা ভর্তি করিয়ে নেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, মীরাদেবীর ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটেছে। তবে তেমন উদ্বেগের কিছু নেই বলে আশ্বাস চিকিৎসকদের। আপাতত তিনি স্থিতিশীল।

মীরাদেবীর হৃদযন্ত্রে পেসমেকার বসানো। তার ব্যাটারি বদলের জন্য তিনবছর আগে তাঁকে একবার হাসপাতালে যেতে হয়েছিল। তারপর থেকে আর সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। সম্প্রতি রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারকে বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও শোনা গিয়েছিল মীরাদেবীর মুখে। তাঁর আচমকা অসুস্থতায় মুখ্যমন্ত্রী খবর নিতে পারেন বলে মনে করছেন ঘনিষ্ঠরা। তবে এখন তাঁদের একটাই চিন্তা, দ্রুত ফুসফুসের সংক্রমণ সারিয়ে যেন বাড়ি ফিরতে পারেন মীরা ভট্টাচার্য। 

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *