মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে এনডিএ জোটে শামিল হতে চেয়েছেন তৃণমূলের একঝাঁক সাংসদ। তাঁদের মধ্যে অন্য়তম বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠান। সেই ইউসুফকে এক্স হ্যান্ডেলে তুলোধোনা করলেন মহুয়া মৈত্র। কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদের তোপ, ভারতের জার্সিতে খেলেও এতটুকু সাহস নেই? লজ্জা হওয়া উচিত। ‘বিদ্রোহী’ অন্যান্য সাংসদদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন মহুয়া।

এই বিষয়ে আরও খবর

সোমবার ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দেন মমতা। তারপর থেকেই দিনভর তৃণমূল নিয়ে চলতে থাকে একের পর এক নাটক। জানা যায়, তৃণমূলের ২৮ জন সাংসদের মধ্যে ২০ জনই বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ’তে যোগ দিতে চেয়ে চিঠি দিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে। সেই তালিকায় রয়েছেন কাকলি ঘোষদস্তিদার (বারাসত), প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় (হাওড়া), শতাব্দী রায় (বীরভূম), অসিত মাল (বোলপুর), বাপি হালদার (মথুরাপুর), জুন মালিয়া (মেদিনীপুর), জগদীশ বাসুনিয়া (কোচবিহার), কালীপদ সোরেন (ঝাড়গ্রাম), অরূপ চক্রবর্তী (বাঁকুড়া), পার্থ ভৌমিক (বারাকপুর), শর্মিলা সরকার (বর্ধমান পূর্ব), ইউসুফ পাঠান (বহরমপুর), দেব (ঘাটাল), আবু তাহের (মুর্শিদাবাদ) এবং খলিলুর রহমান (জঙ্গিপুর), রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (হুগলি)। রয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন সাংসদ।

২০০৭ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ এবং ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন ইউসুফ। খানিকটা চমকপ্রদভাবে ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে টিকিট দেয় তৃণমূল। অধীর চৌধুরীকে তাঁর গড় বহরমপুরে হারিয়ে দেন ইউসুফ।

এই সাংসদদের তুলোধোনা করে এক্স হ্যান্ডেলে আক্রমণ শানিয়েছেন মহুয়া। লিখেছেন, ‘এই সাংসদরা তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন। এনডিএ’র পক্ষে জনাদেশ ছিল না। স্বার্থপর লোভী সাংসদরা এখন বিজেপিতে যোগ দিন এবং সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিন। তারপর বিজেপির টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন। দেখি আপনারা কেমন সাফল্য পান।’ এই পোস্টে অবশ্য নির্দিষ্ট কোনও সাংসদের নাম উল্লেখ করেননি। কিন্তু ইউসুফকে নিশানা করে আলাদা পোস্ট করেছেন মহুয়া। জোড়া বিশ্বকাপজয়ী তারকাকে মহুয়ার তোপ, ‘অমিত শাহ আপনাকে ডেকেছেন বলেই আপনি দিল্লিতে চলে গেলেন? আপনার তো সাহস থাকা উচিত। ভারতের হয়ে খেলেছেন। আমাদের জেলা আপনাকে বিরাট ব্যবধানে জিতিয়েছে। তাই কিছুটা মেরুদণ্ড থাকা উচিত আপনার, লজ্জাও হওয়া উচিত।’

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ এবং ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন ইউসুফ। খানিকটা চমকপ্রদভাবে ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে টিকিট দেয় তৃণমূল। অধীর চৌধুরীকে তাঁর গড় বহরমপুরে হারিয়ে দেন ইউসুফ। সাংসদ হওয়ার বছরদুয়েকের মধ্যেই তিনি নাম লিখিয়েছেন ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূলে।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *