নিট কেলেঙ্কারি ইস্যুতে যন্তর মন্তরে জেন জির আন্দোলনের সময় তরুণ প্রজন্মকে ‘নদর্মার আবর্জনা’ কটাক্ষ করেছিলেন কঙ্গনা রানাউত। মাস কয়েক পর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ‘ককরোচ’-এর বিক্ষোভকে ‘দেশবিরোধী শক্তি’ বলে মন্তব্য করেছেন কঙ্গনা। গত ১০ অক্টোবর লখনউতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কঙ্গনার স্পষ্ট দাবি, “দেশবিরোধী ও সন্ত্রাসবাদী শক্তি এবং আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র আমাদের দেশের জন্য একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে ব্যাপক ধরপাকড়ের সময় উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ঘৃতাহুতি দিল কঙ্গনা রানাউতের মন্তব্য, তা বলাই বাহুল্য। নির্বাচন কমিশন ভুলভাবে ভোটার তালিকা থেকে বহু মানুষের নাম বাদ দিয়েছে বলে বলে অভিযোগ সিজেপির। এই প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা আনার পাশাপাশি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জানিয়েই প্রতিবাদের ডাক দিয়েছে ‘আরশোলা’রা।
আরও পড়ুন:

তাঁদের বিক্ষোভ কর্মসূচীকে কটাক্ষ করে মান্ডির সাংসদ আরও বলেন, “যে অজুহাতই দেখানো হোক না কেন, কোনও না কোনওভাবে এই দেশেকে, দেশের নাগরিকদের হয়রানি করার ষড়যন্ত্র চলছে। আমরা এখন ভগবান রামের আশীর্বাদ নিতে অযোধ্যায় যাচ্ছি। যতক্ষণ ভগবান রাম ও হনুমানজির আশীর্বাদ আমাদের সঙ্গে রয়েছে ততক্ষণ কেউ কিছু করতে পারবে না।”
কঙ্গনার সংযোজন, “আরও কত শক্তি আমাদের দেশকে ভাঙার চেষ্টা করছে, কিন্তু আমরা সবাই ভারতীয়। ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের পাশে রয়েছি। দেখুন, কত মানুষ এই দেশবিরোধী শক্তিগুলিকে প্রকাশ্যে আনার চেষ্টা করছেন। আমি তো বলব পুলিশকে বাদ দিন, সাধারণ মানুষই এবার তাদের ধরে উপযুক্ত জবাব দেবেন। কারণ, মানুষ ক্ষুব্ধ। আর এই লোকেরা প্রতিদিন কোনও না কোনওভাবে দেশকে অচল করে দেওয়ার চেষ্টা করছে।”

রাহুল গান্ধী সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে কঙ্গনা বলেন, “রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে তাঁর কাছে আপত্তিকর বিষয়গুলি তুলে ধরার অধিকার রাহুল গান্ধীর রয়েছে। কিন্তু আমাদের স্কুলেও এমনটা হতো। যারা পরীক্ষায় ফেল করত তারা ভাবত যারা পাশ করেছে তারা নিশ্চয়ই অন্য প্রশ্নপত্র আগেই পেয়ে গিয়েছিল।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
