আশঙ্কা সত্যি করে মধ্যপ্রাচ্যে ফের শুরু হয়ে গিয়েছে যুদ্ধ। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর তেল ভাণ্ডার লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এহেন পরিস্থিতিতে ইরানকে নতুন শান্তি প্রস্তাব পাঠাল আমেরিকা। এখনও জানা যায়নি, তেহরান প্রস্তাবের জবাবে কী জানাতে চলেছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই প্রস্তাব ইরান প্রত্যাখ্যান করলে তাদের গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।
ইরান ও আমেরিকার মধ্যে শান্তি প্রস্তাব নিয়ে সরাসরি আলোচনা হচ্ছে না। এখানে পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। সাম্প্রতিক প্রস্তাবও ইসলামাবাদের মাধ্যমেই ইরানের কাছে পৌঁছে গিয়েছে। আবার তাদের মাধ্যমেই ইরান তার জবাব পাঠাবে। এখন দেখার, এই প্রস্তাব যুদ্ধে রাশ টানতে পারে কিনা।
আরও পড়ুন:
ইরানকে নতুন শান্তি প্রস্তাব পাঠাল আমেরিকা। এখনও জানা যায়নি, তেহরান প্রস্তাবের জবাবে কী জানাতে চলেছে।
এদিকে সম্প্রতি হরমুজ থেকে জাহাজগুলিকে নিরাপদে বের করতে ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সেনার নিরাপত্তায় গত ২ দিনে ৩টি জাহাজকে হরমুজ থেকে বেরও করা হয়। তবে সেই পদক্ষেপে দাড়ি টেনেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের অনুরোধেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবে হরমুজে আগের মতোই আমেরিকা অবরোধ চালিয়ে যাবে বলে জানানো হয়েছে। আমেরিকার এই অভিযান স্থগিত করার ঘটনাকে নিজেদের জয় বলে দাবি করেছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, আমেরিকা হরমুজ খোলার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়ে পিছু হটেছে। এদিকে রিপোর্ট বলছে, যুদ্ধের আগে যেখানে হরমুজ থেকে প্রতিদিন ১৩০টির বেশি জাহাজ যাতায়াত করত, সেখানে মার্কিন অভিযানের পর সোমবার ২টি ও মঙ্গলবার একটি জাহাজ বের করতে পেরেছে আমেরিকা।
ট্রাম্পের এই ঘোষণার আগে প্রোজেক্ট ফ্রিডমকে কেন্দ্র করে একদফা যুদ্ধ শুরু হয় আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে। ইরান দাবি করে, তারা মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলা চালিয়েছে। পালটা আমেরিকা জানায়, ইরান হামলা চালিয়েছিল কিন্তু সেই হামলা রুখে দেওয়া হয়েছে। ইরানের ৬টি বোট ধ্বংস করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর তেল ভাণ্ডার লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এই ঘটনায় মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, ”আমরা যুদ্ধ করতে চাইছি না। ওরা বলছে ওরা নাকি প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করছে। কিন্তু ওরা করছে না। আমেরিকা ইরানের হামলা থেকে জাহাজগুলিকে রক্ষা করছে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
