16

Image Credit : istock

সোনা বিক্রি না করে হঠাৎ টাকার দরকার মেটাতে গোল্ড লোন দারুণ একটা উপায়। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি লোন নেবেন না। বিশেষ করে যারা প্রথমবার লোন নিচ্ছেন, তাদের আগে থেকেই পরিশোধের ক্ষমতা যাচাই করে নেওয়া উচিত। সোনার দাম যখন কমছে, তখন লোন নেওয়ার সময় কী কী সতর্কতা নেবেন, আসুন দেখে নিই।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

26

Image Credit : Chatgpt

সম্প্রতি সোনার দাম রেকর্ড ১.৮২ লক্ষ টাকায় পৌঁছনোর পর কিছুটা কমেছে। গত বছরের তুলনায় দাম এখনও বেশি। তাই একই পরিমাণ সোনায় এখন বেশি লোন পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু ব্যাঙ্ক বেশি টাকা দিচ্ছে বলেই পুরোটা নিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনার ঠিক কতটা প্রয়োজন এবং শোধ করার ক্ষমতা আছে কি না, সেটাই আসল। যোগ্যতার থেকে কিছুটা কম লোন নিলে ভবিষ্যতে সোনার দাম কমলেও আপনার লোন সুরক্ষিত থাকবে।

36

Image Credit : Asianet News

অনেকেই গোল্ড লোন নেওয়ার সময় শুধু সুদের হার দেখেন। কিন্তু এর পিছনেও অনেক খরচ লুকিয়ে থাকে। যেমন প্রসেসিং ফি, মূল্যায়ন চার্জ (appraisal charges), ফোরক্লোজার চার্জ এবং দেরিতে টাকা দিলে জরিমানা। লোন নেওয়ার আগে এই সব বিষয়ও মাথায় রাখতে হবে। স্থানীয় গয়নার দোকানের বদলে আরবিআই-স্বীকৃত ব্যাঙ্ক বা নামী NBFC থেকে লোন নেওয়াই নিরাপদ। এখানে আপনার সোনা সুরক্ষিত ভল্টে রাখা হয় এবং তার বিমাও করা থাকে।

46

Image Credit : Chatgpt

• আপনার ঠিক যতটা প্রয়োজন, ততটাই লোন নিন।• ১৮ থেকে ২২ ক্যারেটের সোনার উপরেই শুধু লোন পাওয়া যায়।• গয়নায় থাকা পাথর বা রত্নের ওজন বাদ দিয়ে শুধু সোনার ওজনের উপর ভিত্তি করে লোন দেওয়া হয়।• সুদের হারের সঙ্গে প্রসেসিং ফি-এর মতো অন্যান্য চার্জও মিলিয়ে দেখে নিন।

56

Image Credit : Asianet News

বাজারে সোনার দাম হঠাৎ করে কমে গেলে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)-র নির্ধারিত লোন-টু-ভ্যালু (LTV) অনুপাত বদলে যায়। অর্থাৎ, আপনার সোনার দাম কমে গেলে, আপনার নেওয়া লোন ব্যাঙ্কের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এই পরিস্থিতিতে ব্যাঙ্ক ‘মার্জিন কল’ করতে পারে। মানে, মূল্যের ঘাটতি মেটাতে আপনাকে অতিরিক্ত টাকা দিতে বা আরও সোনা জমা রাখতে বলা হতে পারে। যারা বুলেট রিপেমেন্ট (একবারে শোধ) বেছে নেন, তাদের জন্য এই ঝুঁকি আরও বেশি। তাই নিয়মিত EMI-এর মাধ্যমে লোন শোধ করলে ঋণের বোঝা ধীরে ধীরে কমে।

66

Image Credit : our own

গোল্ড লোন সাধারণত ৩ মাস থেকে ১২ মাসের স্বল্প মেয়াদের জন্য দেওয়া হয়। ব্যাঙ্কগুলি মূলত চার ধরনের রিপেমেন্ট অপশন দেয়:• আংশিক কিস্তি শোধ।• প্রতি মাসে শুধু সুদ দেওয়া এবং শেষে আসল টাকা শোধ।• বুলেট রিপেমেন্ট (মেয়াদ শেষে একবারে আসল ও সুদ শোধ)।• নিয়মিত মাসিক EMI।আপনার আয় এবং টাকার জোগান অনুযায়ী সঠিক পদ্ধতি বেছে নিন। ব্যাঙ্কের তরফে কোনও নোটিস এলে সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ করুন, তাহলে আপনার বন্ধক রাখা সোনা নিলামে ওঠার ঝুঁকি থাকবে না।

Business News in Bengali (ব্যবসার খবর): Get latest Business news highlights and live updates about stock market news & Updates, Personal finance tips, Indian economy & Budget News Updates at Asianet News Bangla.



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *