ম্যাচের আগের দিন গোটা দল নির্বাসিত। সম্পূর্ণ অন্য এগারো জনের দল মাঠে নামল। ঘটনায় হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হল হাই কোর্টও। ড্রেসিং রুমে তালা দিয়ে চলে গেল একদল। সেই তালা ভাঙতে শেষমেশ পুলিশ এসে হাজির। তারপর নিয়মমতো ক্রিকেট ম্যাচও শুরু হল। এই অদ্ভুত ঘটনাবলির সাক্ষী থাকল রনজি ট্রফি।
রনজির প্লেট গ্রুপে মুখোমুখি নাগাল্যান্ড ও মেঘালয়। এদিকে ম্যাচের আগের দিন থেকে নাটক শুরু। প্রথম তিন ম্যাচে মেঘালয় যে দল খেলিয়েছিল, তাঁদের সবাইকে নির্বাসিত করে দেওয়া হয়। কেন? এই দল বেছেছিল মেঘালয় ক্রিকেট সংস্থার অ্যাপেক্স কাউন্সিল। এদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। এমনকী বোর্ড সভাপতি জেমস সাংমা সচিব রোনাল্ড খারকামনিকে বরখাস্ত করার আবেদন করেছিলেন।
আরও পড়ুন:
ম্যাচের ঠিক আগের দিন হাই কোর্ট সাংমার পক্ষে রায় দেন। সেখানে রোনাল্ডের সমস্ত সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করা হয়। মেঘালয়ের দল বেছেছিলেন এই রোনাল্ডই। ফলে গোটা দলই এক মুহূর্তে নির্বাসিত হয়ে যায়। অন্যদিকে সাংমাও তৈরি ছিলেন। তিনি অন্য একটি দল ঘোষণা করে দেন। এদিকে রোনাল্ডের দল অনুশীলনের পর ম্যাচ রেফারির সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের প্রাথমিকভাবে আশ্বাস দেওয়া হয়, বিসিসিআই তাঁদের দলকেই অনুমতি দিয়েছে। সন্ধ্যাবেলায় নাটকীয় পটপরিবর্তন। তাঁদের ফোন করে জানানো হয়, গোটা দল নির্বাসিত। আর মাঠে নামতে পারবেন না।
রাত ১১টার সময় জানানো হয়, বিসিসিআই একটি সম্পূর্ণ নতুন দলকে নাকি অনুমোদন দিয়েছে। পুরনো দলের অভিযোগ, তাঁদের ম্যানেজারকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। পরদিন সকালে দু’পক্ষের খেলোয়াড়রা মাঠে জড়ো হন। কিন্তু এসে দেখেন, মাংমা ড্রেসিংরুমে তালা দিয়ে দিয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে ডাকা হয়। শেষমেশ তালা খোলা হয়। সাংমা যদিও ক্ষমা চেয়ে নেন। তবে নতুন দলই ম্যাচে নামে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
