ভোটের কয়েকঘণ্টা আগেই ফের প্রশাসনিক স্তরে বড় রদবদল করল কমিশন। সরিয়ে দেওয়া হল দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও বীরভূমের এডিএমকে। তাঁরা ভোটের কোনও কাজ করতে পারবেন না বলে নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন। তবে কেন এই সিদ্ধান্ত তা জানা যায়নি।
এই বিষয়ে আরও খবর
দক্ষিণ ২৪ পরগানার এডিএম হিসাবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন ভাস্কর পাল। বীরভূমের এডিএম ছিলেন সৌভিক ভট্টাচার্য। দ্বিতীয় দফার ভোট শুরুর কয়েকঘণ্টা আগে এই দুই আধিকারিককে সরিয়ে দিয়েছে কমিশন। তাঁদের দেওয়া হচ্ছে না অন্য কোনও দায়িত্ব। ভোটের কাজে তাঁরা যুক্ত থাকতে পারবেন না। উল্লেখ্য, সন্ধ্যা নাগাদ ফলতার বিডিও সৌরভ হাজরাকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মার সঙ্গে সহযোগিতা না করা অভিযোগ উঠেছে। তবে তাঁকে পুরুলিয়ায় পাঠানো হয়েছে। সেই নির্দেশিকার কয়েকঘণ্টার পরই সরিয়ে দেওয়া হল জেলার এডিএম ভাস্কর পালকে। তবে তাঁকে কোনও দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। এর পিছনে একই কারণ আছে কি না, তা জানা যায়নি।
এ দিকে রাতে সাংবাদিক বৈঠক করেছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। তিনি ভোটারদের আশ্বস্ত করে বলেন, “কেউ কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। গোটা প্রশাসন তৎপর। নিজের ভোট নিজে গিয়ে দিন।” জানিয়েছেন, ভোটের সময় কোনও অভিযোগ হলেই দ্রুত অ্যাকশন নেওয়া হবে। তিনি নিজে বুথ পরিদর্শনে যাবেন। সিইও বলেন, “২৫ কোম্পানি প্যারামিলিটারি ফোর্স আছে। সব সিপির সঙ্গে কথা হয়েছে। ওয়েব কাস্টিং হচ্ছে। কন্ট্রোল রুম থেকে সব দেখা যাচ্ছে। ১০০ মিটারের মধ্যে কার্ড ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। ভবানীপুরেও একই অবস্থা। যেখানে যত কোম্পানি লাগবে সেখানে তত পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পুলিশের যা ডিউটি আছে করতে হবে। মানুষকে শঙ্কা মুক্ত করতে হবে।” ঝামেলা হলে রিপোল হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। স্ট্রং রুমে ক্যামেরা বন্ধ নিয়ে মনোজকুমার বলেন, “কোথাও লোডশেডিং হতে পারে। কিন্তু কোনও সমস্যা হলে রাজনৈতিক দলগুলি অভিযোগ জমা দিতে পারেন।
অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশের ‘সিংঘম’ আইপিএস অফিসার অজয়পাল শর্মাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক ছড়িয়েছে। জল গড়িয়েছে আদালত পর্যন্তও। পুলিশ পর্যবেক্ষককে নিয়ে সিইও বলেন, “অজয়পাল শর্মা অবজারভার। তিনি সরাসরি কোনও অ্যাকশন নিতে পারবেন না। কমিশনের অনুমতি ছাড়া কোনও অ্যাকশন হবে না। তবে গন্ডগোল হলে অনুমতি তো দেবেই।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
