বাংলাদেশের শহরাঞ্চলে বাজার ছাড়াও পাড়া মহল্লায় দোকানিরা এভাবে ক্যাপসিকাম বিক্রি করেন। ছবিটি ঢাকার একটি কাঁচা বাজার থেকে তোলা।

ছবির উৎস, NurPhoto via Getty Images

ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশের শহরাঞ্চলে বাজার ছাড়াও পাড়া মহল্লায় দোকানিরা এভাবে ক্যাপসিকাম বিক্রি করেন। ছবিটি ঢাকার একটি কাঁচাবাজার থেকে তোলা।

বাংলাদেশের কৃষি বিভাগ বলছে, চোখ ধাঁধানো বিভিন্ন রংয়ের ক্যাপসিকাম এর মধ্যেই বাংলাদেশে একটি জনপ্রিয় সবজিতে পরিণত হয়েছে এবং এর চাহিদা বাড়তে থাকায় টবে ও জমিতে এর চাষ ক্রমশই বাড়ছে।

কৃষকরা অবশ্য বলছেন, প্রাথমিক ব্যয় বেশি হওয়া সত্ত্বেও বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়া এবং তুলনামূলক ভালো আয়ের সুযোগ থাকায় উচ্চমূল্যের এই সবজি চাষের দিকে উদ্যোক্তারা বেশি ঝুঁকছেন।

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের বাজার ও সুপারশপগুলোতে কয়েকটি রংয়ের ক্যাপসিকাম দেখা যায়। কৃষিবিদরা বলছেন, সবুজ, হলুদ, লাল, কমলা, বেগুনি– প্রতিটির পেছনে লুকিয়ে আছে আলাদা স্বাদ ও পুষ্টিগুণ।

“এটি কাঁচা অবস্থায় খাওয়া যায় এবং আধুনিক খাদ্যাভ্যাসে সালাদ, পিৎজ্জা, সাসলিকসহ বিভিন্ন ফাস্টফুড আইটেমে ক্যাপসিকাম একটি অপরিহার্য উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ফলে শহরাঞ্চলসহ সর্বত্র এর স্থায়ী বাজার চাহিদা তৈরি হয়েছে,” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন কৃষি বিভাগের টিস্যুকালচার ল্যাবরেটরি কাম হর্টিকালচার সেন্টার স্থাপন ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালক তালহা জুবাইর মাসরুর ।

যদিও বাংলাদেশে ঠিক কখন এর চাষাবাদ শুরু হয়েছে সে সম্পর্কে তথ্য পাওয়া কঠিন। কৃষি বিভাগ বলছে, ২০১৪-১৫ সালের দিকে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ক্যাপসিকাম বাজারে আসতে শুরু করে। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবেই এর উৎপাদন বেড়েই চলেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *