২৭শে জানুয়ারি ২০২৬, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউস ত্যাগ করার সময় রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প গণমাধ্যমের সাথে কথা বলছেন

ছবির উৎস, EPA

    • Author, অ্যান্থনি জারখার
    • Role, উত্তর আমেরিকার সংবাদদাতা

গত দুই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জেফ্রি এপস্টিনকে ঘিরে যৌন পাচার–সংক্রান্ত তদন্তের লাখ লাখ নথি প্রকাশ করেছে। প্রেসিডেন্ট এখন চাইছেন দেশটি যেন এই বিষয় ছেড়ে সামনে এগিয়ে যায়—কিন্তু আদৌ কি তা সম্ভব?

যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ জানিয়েছেন, কংগ্রেসে গত নভেম্বরে পাস হওয়া একটি আইনের আওতায় বাধ্যতামূলকভাবে সরকারের পক্ষ থেকে শুরু হওয়া এপস্টিন–সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা শেষ হয়েছে। এতে নতুন করে মামলা করার মতো কোনো কারণ পাওয়া যায়নি।

রোববার ব্ল্যাঞ্চ বলেন, “এখানে বিপুল পরিমাণ চিঠিপত্র আছে। অসংখ্য ইমেইল আছে। অনেক ছবি আছে। কিন্তু সেগুলো কাউকে অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত করার সুযোগ দেয় না”।

বিচার বিভাগের পর্যালোচনা শেষ হলেও, ক্যাপিটল হিলে প্রতিনিধি পরিষদ এপস্টিন–সংক্রান্ত তদন্ত এগিয়ে নিচ্ছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনকে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সাক্ষ্য দিতে ডাকা হয়েছে। রিপাবলিকানরা কংগ্রেস অবমাননার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেওয়ার পর তারা সাক্ষ্য দিতে রাজি হন।

এদিকে আরও কিছু নথি আছে যেগুলো প্রকাশ করা হয়নি বলে সেগুলো সামনে আনার দাবি জানাচ্ছেন কংগ্রেসের সদস্য ও এপস্টিনের ভুক্তভোগীরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *