আসানসোলে ভোররাতে ‘খুন’ হলেন লোহা ব্যবসায়ী! বাড়ির সামনে রাস্তায় পড়ে দেহ। শরীরের পাশে একটি বন্দুক পাওয়া গিয়েছে। সকালে দেহটি দেখতে পান স্থানীয়রা। শনিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোলের ৮০ নম্বর ওয়ার্ডে। কে বা কারা কেন খুন করল তা নিয়ে ধোঁয়াশা। আবার স্থানীয়দের একাংশের দাবি, আততায়ীর থেকে পালাতে গিয়ে রাস্তায় পড়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।

মৃতের নাম মহম্মদ সাবরুদ্দিন। বয়স ৪৭ বছর। তিনি আসানসোলের ৮০ নম্বর ওয়ার্ড করিমডাঙালের বাসিন্দা। তাঁর গ্রিল ফ্যাক্টরি আছে। পাশাপাশি তিনি স্থানীয় মাদ্রাসার ক্যাশিয়ার ছিলেন। এদিন ভোরবেলায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে নমাজ পড়তে যাচ্ছিলেন তিনি। পরে আর ফেরেনি। ভোর ৬টা নাগাদ বাড়ির সামনে রাস্তায় দেহটি দেখতে পান স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন:

এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, সবরুদ্দিন পায়ে হেঁটে নমাজ পড়তে যাচ্ছেন, পিছনে ধাওয়া করছে এক হেলমেট পড়া মোটরসাইকেল আরোহী। জানা গিয়েছে, দেহের পাশে একটি বন্দুক পাওয়া গিয়েছে। মাথায় ও নাকে রক্ত ছিল। রাস্তায় রক্ত দেখা গেছে। তবে কোনও গুলির খোল পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের অনুমান, সাবরুদ্দিনকে গুলি করে খুন করা হয়েছে। আবার কেউ মনে করছেন তিনি হোঁচট খেয়ে পড়ে যেতে পারেন। তাতেই মৃত্যু। অনুমান হয়ত কেউ সাবরুদ্দিন। খুন করতেই এসেছিল। বন্দুক দেখে ভয়ে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হতে পারে ওই ব্যবসায়ীর। হয়তো খুনিও পেশাদার নয়। বন্দুকবাজও ভয়ে পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় হয়তো বন্দুকটি পড়ে গিয়েছে।

দেহটি দেখার পর খবর দেওয়া হয় পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। তার রিপোর্ট আসলেই মৃত্যুর কারন বোঝা যাবে বলে জানিয়ছেন তদন্তকারীরা। ঠিক কী কারণে খুন? আদৌও খুন কি না, সব খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *