মানুষ স্বপ্ন দেখে আর এপিক প্রপার্টিজ সেই স্বপ্নের বাস্তব রূপ দৃশ্যমান করে। আদিকাল থেকে মানুষ তার বসবাসের জন্য নিরাপদ ও নান্দনিক আবাসস্থল নির্মাণ করে আসছে। কখনো মানুষ পাহাড়ের গুহায় আশ্রয় নিয়েছে আবার কখনো নিজেই প্রকৃতির বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী গড়ে তুলেছে আপন নিবাস। তবে উদ্দেশ্যগত দিক থেকে লক্ষ করলে দেখা যায়, প্রকৃতির খুব কাছাকাছি থাকতে মানুষ ভালোবাসে। এপিক সেই ভালোবাসার মূল্য দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী ও জনবহুল চট্টগ্রাম শহরের যান্ত্রিক জীবনযাবন থেকে স্বল্পদূরে চকবাজারের পার্সিভ্যাল হিলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার একমাত্র আধুনিক প্রকল্প এপিক ভূঁইয়া ইম্পেরিয়াম।
প্রকৃতির কাছাকাছি একটি প্রকল্প
সমুদ্র উপকূলে হাজার বছরের প্রাচীন শহরগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর নগরী। এ শহরেরই খুব পরিচিত একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান পার্সিভ্যাল হিল। জীবন কেন এখানে স্বপ্নের মতো সহজ এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে বলা যায়, ভূঁইয়া ইম্পেরিয়াম আবাসিক প্রকল্পের খুব কাছেই আছে চট্টগ্রাম কলেজ, হাজী মুহাম্মদ মহসীন কলেজ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজসহ দৈনন্দিন জীবনের সব ধরনের সহজ সমাধান। এ এলাকায় আছে অর্থনৈতিক আধুনিক ব্যবস্থা, উন্নতমানের যোগাযোগ ব্যবস্থা। সমতল ভূমি থেকে সুউচ্চে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হয়েছে। এ কারণে শহরের সবচেয়ে উচ্চতাসম্পন্ন এই স্থাপত্যশৈলীর থেকে পাখির চোখে শহরের বিশালতা দেখা যায়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সমুদ্রের ঢেউ ছুঁয়ে আসা দক্ষিণা বাতাসে সবসময় শীতলছোঁয়া পাওয়া যায় ভূঁইয়া ইম্পেরিয়াম স্বপ্নিল আবাসনে। যে সকালের শুরু হয় এমন দারুণ ঢেউ ছুঁয়ে আসা বাতাসে, সেখানে তো সব আয়োজন স্বপ্নের মতোই!
পাখির ডাকে ঘুম ভাঙে ঘরের কোণে
চিরসবুজ ছায়াকে আলিঙ্গন করে এপিক ভূঁইয়া ইম্পেরিয়াম নির্মাণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের চারপাশে সবুজ গাছপালায় শহরের বেশিরভাগ পাখি আশ্রয় নিয়েছে। যার কারণে সকালে পাখির সুর ধ্বনি ভেসে আসে কানে, ঘুম ভাঙে স্বপ্নবাজ প্রকৃতিপ্রেমিকের। পাখির চোখে দেখা যায় সমগ্র শহর এক পলকে। এর দুটি ভবনের সৌন্দর্যের অপারগতা বিবেচনা করে ৬০ কাঠার ওপর দুটি টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে, যা চট্টগ্রাম শহরের সবচেয়ে অধিক উচ্চতার টাওয়ার বলে দাবি করে।
নাগরিক জীবনের ইচ্ছাপূরণ
এপিক প্রপার্টিজের অন্যতম কর্ণধার ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এসএম আবু সুফিয়ান বলেন, ‘অর্থনীতিতে একটি কথা আছে মানুষের অভাব অসীম কিন্তু সম্পদ সীমিত। তাই মানুষকে তার অসীম অভাবকে পূরণ করতে হলে প্রয়োজন অনুযায়ী নির্বাচন করে নিতে হয়। নাগরিক মানুষের এই অভাবকে আমরা বলি জীবনের অপরিহার্য প্রয়োজন। কীভাবে নাগরিক জীবনকে আধুনিকভাবে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি সুবিধা দেওয়া যায়, সেদিকে বিবেচনা করে যাচ্ছে এপিক প্রপার্টিজ। নাগরিক জীবনে মৌলিক চাহিদার বিশেষ বিশেষ উপাদানের পূর্ণস্থল এই এপিক ভূঁইয়া ইম্পেরিয়াম। ৬০ কাঠার ওপর নির্মিত এই দুটি টাওয়ারে থাকছে নিত্যপণ্যের চাহিদা পূরণে সুবিশাল সুপারশপ, সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য কমিউনিটি সেন্টার, উৎসব আনন্দে মেতে উঠতে রয়েছে বার্বিকিউ জোন, সুস্বাস্থ্য রক্ষায় আধুনিক জিম, দোতলার নান্দনিক ও শৈল্পিক অলংকরণে নির্মিত মসজিদ, মানসিক প্রশান্তির জন্য ইয়োগা জোন, অবসর কাটানোর জন্য আড্ডা জোন, বাচ্চাদের মানসিক ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে কিডস প্লে জোন, নির্মল ও প্রশান্তির জীবন উপভোগ করতে গ্রিন ওয়াকওয়েসহ অনেক আধুনিক লাইফস্টাইলের সুযোগ-সুবিধা। নিরাপত্তার দিক থেকে থাকছে নির্ধারিত গার্ড পোস্ট ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রণ।
এপিক ভূঁইয়া ইম্পেরিয়াম মহাকাব্যের মতো বিশাল। পৃথিবীর মহাকাব্যগুলোর মধ্যে যেমন হোমারের ইলিয়াড ও অডিসি, তেমনি আমাদের ভারতীয় মহাদেশে রামায়ণ মহাভারত। মহাকাব্যের সঙ্গে ভূঁইয়া ইম্পেরিয়াম যোগসূত্র হলো একটি মহাকাব্যে যেমন সব মানুষের জীবনপ্রবাহ উঠে আসে। তেমনি এই দুটি টাওয়ারের নান্দনিক ডিজাইন এমনভাবে করা হয়েছে, যেখানে অবশ্যই প্রকৃতির ছোঁয়া থাকবে প্রতিটি কোনায় কোনায়। এপিকের দুটি টাওয়ারের মোট অ্যাপার্টমেন্ট ১০৮টি। গ্রাউন্ড থেকে শুরু করে তিনতলা পর্যন্ত সুবিশাল পার্কিং ব্যবস্থা আছে এখানে।
এপিক হরাইজন আবাসন মেলা ২০২৫
দিগন্ত যেখানে মিলায়, সেখানে ভোর হয়। নতুন আলোয় শুরু হয় দিন। এক-একটি দিন নিয়ে আসে নতুন আশা, নতুন সম্ভাবনা আর নিত্যনতুন উদ্যোগ। এপিক হরাইজন আবাসন মেলা ২০২৫ এমনই এক উদ্যোগ, যেখানে রাজধানী ঢাকা ও বন্দর নগরী চট্টগ্রামের ১৮টি প্রকল্প এক ছাদের নিচে প্রদর্শিত হয়েছে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ভূঁইয়া ইম্পেরিয়ামে শুরু হওয়া এই মেলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত, নির্মাণাধীন ও আসন্ন আবাসিক এবং বাণিজ্যিক প্রকল্পগুলোর যেন এক মহাসমারোহ ঘটেছিল। এপিকের প্রতিটি প্রকল্পে থাকছে আধুনিক জীবনযাত্রার সব সুবিধা। সঙ্গে দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলীর সংমিশ্রণ তো আছেই। সবগুলো প্রকল্পই যেন শিল্পীর তুলিতে আঁকা এক-একটি ক্যানভাস। সাধ্যের মধ্যে নিজের পছন্দের লোকেশনে একটি অ্যাপার্টমেন্ট বেছে নেওয়ার লক্ষ্যে প্রতিদিন ভিড় জমেছে শত শত দর্শনার্থীর। মেলায় বুকিং দিলেই ছিল আকর্ষণীয় সব অফার। মেলাটি গত ২৮ সেপ্টেম্বর শেষ হয়েছে।
এপিক চিলড্রেন আর্ট কম্পিটিশন ২০২৫
মেলায় অন্যতম আকর্ষণীয় ইভেন্ট ছিল শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা। নগরীর স্বনামধন্য প্রায় ২৫টি বিদ্যালয়ের ৩ শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে মুখরিত হয়েছিল ভূঁইয়া ইম্পেরিয়ামের আঙিনা। গত ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা এক উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল। বয়সভিত্তিক তিনটি বিভাগে শিশুদের অংশগ্রহণ ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের ট্রফি ও এপিক ডেন্টাল কেয়ারের সৌজন্যে দেওয়া হয় ডেন্টাল চেকআপ প্যাকেজ।
দিচ্ছে আধুনিক লাইফস্টাইল
মানুষ এখন যন্ত্রের মতো ব্যস্ত সারা দিনের কাজ শেষ করে শহরের মধ্যভাগে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার নাম হলো এপিক ভূঁইয়া ইম্পেরিয়াম। সকালে ইয়োগা জোনে বসে নীরবে নিজের সঙ্গে কিছু সময় শেষ করে দিয়েছেন? এমন শান্ত স্থান মনে হয় এখনো পাননি? আপনি, হ্যাঁ আপনাকে বলছি, শেষ কবে নিজের স্বপ্নের সামনে দাঁড়িয়েছেন? কখনো কি ভেবেছেন আপনার পছন্দের শহরে এমন এক স্বপ্নছোঁয়ার আবাসস্থল নির্মাণ হয়েছে, যেখানে বারান্দায় বসে এক কাপ কফি হাতে নিয়ে চোখ মেলে সবুজ গাছের কচিপাতা দেখা যায়? সকালে ভোরের আলো আকাশ ভেদ করে যখন আলোকিত করে, তখন জানালার পাশে এসে আলো আর কুয়াশার পাখিরা ঘুম ভাঙাবে। রাতে অনেকগুলো জোনাকির মতো আলো দেখতে হলে এই টাওয়ারের ছাদে এসে দাঁড়াতে হবে। এক নজরে সমগ্র শহরের নিভু নিভু আলো, যা জোনাকির মতো মনে হবে। আমরা এপিক পরিবার জীবনের সব আয়োজন নিয়ে বসে আছি আপনাদের অপেক্ষায়। আধুনিক জীবনের নান্দনিক, মানসিক ও মাঙ্গলিক এক প্রশান্তির নাম এপিক ভূঁইয়া ইম্পেরিয়াম সোসাইটি।
