ককরোচদের বিক্ষোভে ফের কি শামিল হবেন সোনম ওয়াংচুক? শনিবার বিক্ষোভের আগে সিজেপির শীর্ষ নেতা-সহ বহু সমর্থককে আটক করা হতেই ফের দীপকেদের পাশে দাঁড়ালেন ‘র্যাঞ্চো’। তিনি বলছেন, রবিবারের মধ্যে সমস্ত আটক নেতাদের ছেড়ে দেওয়া না হলে তিনি ফের আন্দোলনে শামিল হতে পারেন।
আসলে একদিন আগে থেকে দিল্লিগামী সব ট্রেন বন্ধ, মেট্রো বন্ধ, ইন্টারনেনেট বন্ধ, জায়গায় জায়গায় ব্যারিকেড, এবং সেই সঙ্গে বিপুল সংখ্যক আধাসেনা মোতায়েন, এসব উপেক্ষা করেও যেসব বিক্ষোভকারী শনিবার দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছিলেন, তাঁদের সকাল থেকে গণহারে আটক করা শুরু করে দিল্লি পুলিশ। সকালেই আটক করা হয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকে। দিল্লিতে পা রাখার সুযোগও দেওয়া হয়নি ককরোচ জনতা পার্টির শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাসকে। বিমান থেকেই তাঁদের আটিক করে অজ্ঞাতবাসে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ। শুধু ককরোচ নেতৃত্বকে নয়, আটক করা হয় বাম নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন বামপন্থী সংগঠনের কর্মীদেরও। এমএ বেবি, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, বৃন্দা কারাটদের মতো বাম নেতানেত্রীদেরও পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। প্রথম ও দ্বিতীয় সারির বেশিরভাগ নেতা গ্রেপ্তার হয়ে যাওয়ায় সেভাবে বিক্ষোভ জমাট বাঁধেনি।
আরও পড়ুন:
ককরোচ নেতারা আটক হতেই ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন লাদাখের পরিবেশকর্মী ওয়াংচুক। তিনি সোশাল মিডিয়ায় এক বার্তায় বলেন, “আজ দিল্লিতে বহু ছাত্রনেতা, যুবনেতা, আইনজীবী, সাংবাদিক, এমনকি সাংসদদেরও আটক করা হয়েছে। একদিন আগেই আমি অনুরোধ করেছিলাম, এই আন্দোলনে যেন শান্তি বজায় থাকে। ভেবেছিলাম, বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অনুমতি তো নিশ্চয়ই দেওয়া হবে। কিন্তু এখন দেখছি এ দেশে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের কোনও অবকাশ নেই। অঘোষিত জরুরি অবস্থা চলছে।”
ওয়াংচুক সোজা কেন্দ্রীয় সরকার ও দিল্লি পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাঁর সাফ কথা, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আটক হওয়া ‘ককরোচ’দের ছাড়া না হলে তিনি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বাধ্য হবেন। কী সেই প্রতিবাদ? ওয়াংচুক বলছেন, “এরপর আমি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ শুরু করতে বাধ্য হব। হতে পারে তা ধর্না, অনশন বা মিছিল। লেহতে হতে পারে, দিল্লিতেও হতে পারে। তবে আমার আশা, সরকার আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করবে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
