বিজ্ঞানের পাশাপাশি ইতিহাসেও যন্তর মন্তরের অবদান আছে

ছবির ক্যাপশান, যন্তর মন্তর দিল্লিতে অবস্থিত একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণাগার

    • Author, ত্রিভূবন
    • Role, সিনিয়র জার্নালিস্ট, বিবিসি হিন্দির জন্য
  • Published

  • পড়ার সময়: ৮ মিনিট

মহাকাশ অবজারভেটরি হিসেবে ১৭২৪ সালে যে যন্তর মন্তর গড়া হয়েছিল, দিল্লির সেই প্রাচীন মানমন্দিরের উপরেই ২০২৬ সালে সারা বিশ্বের নজর পড়েছে। নেপথ্যে জেন-জি আন্দোলন।

বলা হয়, দিল্লির যন্তর মন্তরে সূর্যের রশ্মি ঘড়ির কাঁটা মেপে চলে। সেখানেই ভারতের কৃষক, নারী, সৈনিক, কুস্তিগীর, ছাত্র ও যুবরা বছরের পর বছর ধরে কর্মসূচি পালন করে সরকারের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি করে আসছেন।

দিল্লির কনট প্লেসের ঔপনিবেশিক আমলের সাদা রঙের ভবনগুলি ছাড়িয়ে সূর্য রশ্মি যখন আরও ওপরে উঠে যায়, তখন তার ছায়া যন্তর মন্তরের লাল পাথরের ওপর গিয়ে পড়ে।

ওই সূর্য রশ্মি যদিও স্লোগান দেয় না, রাস্তা অবরোধ করে না, বা পুলিশের কাছে অনুমতিও চায় না। পৃথিবী তার নিজের অক্ষে ঘোরে, আর যন্তর মন্তরের লাল পাথরগুলো সেই গতি মেপে সময়ে রূপান্তরিত করে দেওয়ার কাজ করছে বছরের পর বছর।

কিন্তু সম্প্রতি এই ঐতিহাসিক যন্তর মন্তর থেকে কয়েক পা দূরে, পার্লামেন্ট মার্গ সরণিতে সময়ের অন্য এক হিসাব নিকাশ চলতে থাকে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *