সামনের দিকে দুটি সাদা-কালো চিনস্ট্র্যাপ পেঙ্গুইন—যাদের দেখে বাসা বাঁধা এক জোড়া বলে মনে হচ্ছে—একে অপরের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে, আর পেছনের দিকে একই প্রজাতির আরও কয়েকটি বসে ও দাঁড়িয়ে আছে। ভূদৃশ্যটি বাদামী ও পাথুরে, এবং পাখিগুলো ছোট ছোট পাথরের স্তূপ দিয়ে তৈরি বাসায় বসে আছে। ছবিটির ডানদিকের পেঙ্গুইনটির পিঠে একটি ট্র্যাকিং ডিভাইস—অ্যান্টেনাসহ একটি ছোট ট্র্যাকার—লাগানো আছে।

ছবির ক্যাপশান, চিনস্ট্র্যাপ পেঙ্গুইনদের কান থেকে কান পর্যন্ত বিস্তৃত পালকের একটি সরু বলয়ের কারণে এদের এমন নামকরণ হয়েছে

    • Author, ভিক্টোরিয়া গিল
    • Role, বিজ্ঞান বিষয়ক সংবাদদাতা
  • Published

  • পড়ার সময়: ৫ মিনিট

অ্যান্টার্কটিকার নিকটবর্তী একটি প্রত্যন্ত আগ্নেয় দ্বীপ থেকে চিনস্ট্র্যাপ পেঙ্গুইনের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বিলুপ্ত হয়ে গেছে বলে আকাশপথে করা সমীক্ষায় জানা গেছে।

জাভোডোভস্কি দ্বীপ একসময় বিশ্বে পেঙ্গুইনদের সবচেয়ে বড় ঝাঁকের আবাসস্থল ছিল, কিন্তু জরিপ পরিচালনাকারী গবেষকরা বলছেন যে দ্বীপটি এখন সেই খেতাব হারিয়েছে।

সমীক্ষা অনুসারে, ২০১১ সালের একই সময়ের তুলনায় ২০২৫ সালে চিনস্ট্র্যাপ পেঙ্গুইনের ব্যবহৃত বাসার সংখ্যা ৬৩ শতাংশ কমে গিয়েছিল।

গবেষক দলটি বলছে, জলবায়ু পরিবর্তন পাখিদের খাদ্য সরবরাহ ও অস্তিত্বকে প্রভাবিত করছে এবং পেঙ্গুইনরা এখন আনুষ্ঠানিকভাবে বিপন্ন প্রজাতির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

পেঙ্গুইনের আরেকটি প্রজাতি, ম্যাকরনি, এই দ্বীপে বাসা বাঁধে এবং সংখ্যায় বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা তাদের আরও বৈচিত্র্যময় খাদ্যাভ্যাসকে মনে করেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *