করাচি: ইংল্যান্ড সফরের মাঝেই দল থেকে বাদ পড়ে দেশে ফেরত আসতে হয়েছিল তাঁকে। দল থেকে বিতাড়িত ৭ জন ক্রিকেটার মধ্যে ছিলেন তিনিও – মহম্মদ রিজওয়ান। এরপর পাকিস্তান জাতীয় দলের উইকেটকিপার-ব্যাটারকে তলব করে দেশের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি। দলের ড্রেসিংরুমের ভিতরের তথ্য বাইরে পাচার করার অভিযোগের তদন্তেই এই জিজ্ঞাসাবাদ। এবার সেই এজেন্সির কাছে চিঠি পাঠালেন রিজওয়ান।

একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এনসিসিআইএ-কে পাঠানো চিঠিতে রিজওয়ান বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি জানতে চেয়েছেন, ঠিক কী কারণে তাঁকে তলব করা হয়েছিল ও তদন্তের স্বার্থে বাজেয়াপ্ত করা তাঁর ফোনটি কেন এখনও ফেরত দেওয়া হয়নি? তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানতে চান, তাঁর বিরুদ্ধে কি আদৌ কোনও অভিযোগ আছে? যদি থাকে, তাহলে কিসের অভিযোগ? ঠিক এক সপ্তাহ আগে রিজওয়ান ও তাঁর সতীর্থ ইমাম-উল-হোক লাহোর সাইবার অপরাধ তদন্তকারী সংস্থার কার্যালয়ে হাজিরা দিয়েছিলেন। সেখানে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হওয়া টেস্ট সিরিজ চলাকালীন তথ্য ফাঁসের অভিযোগ নিয়ে দুজনকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ম্যাচ চলাকালীন তাঁরা কাদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন, কোথায় গিয়েছিলেন – সে সব কিছুই জানতে ডাকা হয়েছিল তাঁদের। এমনকি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের যাবতীয় খতিয়ান দেখা হয়েছে। সিরিজের আগে ও সিরিজ চলাকালীন তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কত টাকা এসেছে – তাই খতিয়ে দেখছে সংস্থাটি।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, লর্ডসে ২য় টেস্টে পাক দলের হারের পর যে ৭ জন ক্রিকেটারকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড দেশে ফেরত পাঠিয়েছিল, রিজওয়ান ও ইমাম সেই তালিকাতে ছিলেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, লর্ডস টেস্টে সন্দেহজনক চোটের কারণে কোনও ইনিংসে ব্যাট না করায় বড় ধরণের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন ইমাম-উল-হক। রিজওয়ানকেও অদূর ভবিষ্যতে কোনও ফরম্যাটেই না অন্তর্ভুক্ত করতে পারে দল, যা কার্যত তাঁর কেরিয়ারের সমাপ্তি ঘটাতে পারে। যদিও ইংল্যান্ড সফরে ড্রেসিংরুম বদলেও কোনও লাভ হয়নি। এজবাস্টনে সিরিজের শেষ ম্যাচে হেরে ০-৩ হোয়াইটওয়াশ হয়েছে পাক দল। এই শোচনীয় ব্যর্থতার জেরে আইসিসি টেস্ট তালিকাতে পাকিস্তান এখন নবম স্থানে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *