কে পাবে তৃণমূলের প্রতীক?Image Credit: TV9 বাংলা
কলকাতা: দ্বিখণ্ডিত তৃণমূলকে তলব নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)-পন্থী তৃণমূল কংগ্রেসকে তলব করল নির্বাচন কমিশন। একইদিনে দুই শিবিরকে তলব করা হয়েছে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের জোড়াফুল প্রতীক কার হাতে যাবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতেই তৃণমূল কংগ্রেসের দুই শিবিরকে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে তলব করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
দুই শিবিরকেই ডাকল কমিশন-
আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। এই দুই আসনে কোন কোন দল প্রার্থী দেবে, তা নিয়ে জোর চর্চা চলছে। তৃণমূলের তরফেই বা কে বা কারা প্রার্থী হবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। এরমধ্যেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তলব। তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক কে পাবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতেই দুই পক্ষকে এই তলব।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়- দুই শিবিরকেই চিঠি পাঠানো হয়েছে। ঋতব্রত-পন্থীদের ১২ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে সকাল ১১টার সময় যেতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে ওই দিনই দুপুর ১২টায় সময় দেওয়া হয়েছে। দুই শিবিরের তরফেই পাঁচজন করে প্রতিনিধি উপস্থিত থাকতে পারবেন।
কেন এই তলব গুরুত্বপূর্ণ?
নির্বাচন কমিশনের এই তলবকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিচারে ঋতব্রত-পন্থীদের জোড়াফুল প্রতীক দেওয়া হয়, তবে সেকেন্ড অপশন হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে কী প্রতীক দেওয়া হবে, তার দিকে নজর থাকবে। অন্যদিকে যদি কালীঘাট শিবিরের হাতে জোড়াফুল প্রতীক যায়, তাহলে অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়বে ঋতব্রত শিবির।
ওয়াকিবহাল মহল আরও একটি তত্ত্ব তুলে ধরেছেন। তাদের মতে, দুই শিবিরের কাউকে জোড়াফুল প্রতীক না দিয়ে, এই সিম্বল ডিজলভ করে দিতে পারে কমিশন। সেক্ষেত্রে দুই শিবিরকেই আলাদা আলাদা প্রতীক দেওয়া হবে। তবে এগুলি সবই এখনও জল্পনার স্তরেই রয়েছে। ১২ তারিখ কমিশনে মমতা ও ঋতব্রত-পন্থী শিবির হাজির হওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন।
