বরাবরই ট্যাটু করাতে ভালোবাসেন বিরাট কোহলি। টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ককে প্রকৃত ট্যাটুভক্ত বলা চলে। একাধিক ট্যাটু রয়েছে তাঁর শরীরে। প্রত্যেকটির সঙ্গে তাঁর জীবনের বিশেষ যোগ রয়েছে। বাবা-মায়ের নাম থেকে শুরু করে নিজের ওডিআই ক্যাপের নম্বর, সব কিছুই বিরাটের শরীরে আঁকা। সেখানে রয়েছে গডস আই ট্যাটু থেকে জাপানি সামুরাই ট্যাটু। সেগুলো আলাদা আলাদা অর্থ বহন করে। এবার তাঁর শরীরে যোগ হল আরও এক ট্যাটু। সেই ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল।

বাঁ হাতের বাইসেপে নতুন ট্যাটু করিয়েছেন কোহলি। প্রশ্ন হল, এর জন্য কি পুরনো ট্যাটুগুলি মুছে ফেলেছেন? উত্তর হল ‘না’। পুরনো ট্যাটুর মাঝেই নতুন এই নকশা। জলের উপর একটি বিন্দুতে যেমন চারদিকে ঢেউয়ের কলকা ছড়িয়ে পড়ে, ট্যাটুটি দেখতে অনেকটা তেমনই। ‘অ্যালান এফ গোইস’ নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে এর ছবি পোস্ট করা হয়। এরপরেই নেটদুনিয়ায় ট্যাটু নিয়ে চর্চা চলছে। পোস্টে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই নকশা তৈরি করতে ইতিমধ্যেই পাঁচটি সেশন লেগেছে। তবে কাজ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি।

আরও পড়ুন:

কিন্তু কেন আবারও নতুন করে ট্যাটু আঁকালেন ‘কিং’? জানা গিয়েছে, বাঁ হাতের পুরনো ট্যাটুগুলিকে নতুন ভাবে সাজাতে চান কোহলি। সেই কারণেই নতুন এই নকশা। আইপিএল শুরুর আগে খবর ছড়িয়েছিল, পুরনো ট্যাটুগুলি মুছে ফেলা বা ঢেকে দেওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই তাঁর। বরং সেগুলিকে পরস্পরের সঙ্গে মিলিয়ে একটি সম্পূর্ণ ‘স্লিভ ট্যাটু’ তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই বদলের শুরু হয়েছিল শিবের থেকে অনুপ্রাণিত তাঁর আর্মব্যান্ড ট্যাটু দিয়ে। পুরনো নকশাটিকে আরও সূক্ষ্মতার সঙ্গে নতুন করে সাজানো হয়। পরে সেই নকশার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জটিল ডটওয়ার্ক। বাঁ হাতের বিভিন্ন ট্যাটুকে এক সুতোয় বেঁধে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই নকশার ভূমিকা রয়েছে।

পুরো নকশায় মনোযোগ, অন্তরের শান্তিকে তুলে ধরা হয়েছে। বাঁ হাতের উপরের দিকেও নতুন করে পদ্ম-সহ আরও একটি ফুলের মোটিফ যোগ করা হয়েছে। এই ধরনের প্রতীক সাধারণত অধ্যবসায় এবং ব্যক্তিগত উন্নতির সঙ্গে যুক্ত বলেই মনে করা হয়। তবে নতুন ট্যাটুর প্রতিটি নকশার পিছনে ঠিক কী অর্থ রয়েছে, তা এখনও জানাননি কোহলি। ফলে তাঁর শরীরের এই শিল্পকর্মের সম্পূর্ণ গল্প এখনও রহস্যেই ঢাকা। আপাতত কোহলির নতুন লুক নিয়েই মজে তাঁর ভক্তরা। কাজ সম্পূর্ণ হলে কোহলির ‘স্লিভ ট্যাটু’ ঠিক কেমন চেহারা নেয়, সেই অপেক্ষাতেই তাঁর অনুরাগীরা।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *