<p>WB Weather Update: আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামীকাল কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি সত্ত্বেও, বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে।</p><img><p><strong>WB Weather Update: </strong>আগামীকাল ৩০ আগস্ট ২০২৬, রবিবার কলকাতা-সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গে দফায় দফায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বিশেষ করে কলকাতা এবং দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে মেঘলা আকাশ ও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত জারি থাকবে।</p><img><p>কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ থেকে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি: বৃষ্টি হওয়া সত্ত্বেও বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি (সর্বোচ্চ প্রায় ৭৩% – ৯৪%) থাকায় ভ্যাপসা গরম ও অস্বস্তিকর পরিবেশ বজায় থাকবে।</p><img><p>কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গআলিপুর আবহাওয়া দফতরের (RMC Kolkata) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগনা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা রয়েছে।</p><img><p>আকাশ মূলত পূর্ণ মেঘলা থাকবে। দিনভর কয়েক দফায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি (Thundery Showers) হতে পারে।উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে (যেমন পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা) বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা বেশি হতে পারে।</p><img><p>উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও মৌসুমী বায়ুর সক্রিয়তার কারণে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। মালদা ও দুই দিনাজপুরে তাপমাত্রা সামান্য বেশি থাকলেও দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারের পার্বত্য অঞ্চলে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।</p><img><p>গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ল্যাংটাং লিরুং পর্বত শিখরে একটি বিশাল হিমবাহ ধসে পড়ে। এর ফলে ভোটে কোশি এবং লেন্দে নদীতে মাত্র ৩০ মিনিটে জলস্তর প্রায় ৯ মিটার (সাড়ে ২৯ ফুট) বেড়ে যায়। এই নদীর জল শেষ পর্যন্ত ভারতের গণ্ডক এবং গঙ্গা অববাহিকায় এসে মেশে।</p><img><p>নেপালের এই ঘটনার পর উত্তর প্রদেশ এবং উত্তর বিহারের গণ্ডক, ঘর্ঘরা ও কোশি নদী সংলগ্ন জেলাগুলিতে তীব্র বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে বৃহস্পতিবারের পর থেকে জলস্তর অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে।</p><img><p>নেপালের এই বিপর্যয়ের সরাসরি প্রভাব পশ্চিমবঙ্গের গঙ্গায় বড় কোনো বন্যা ডেকে আনেনি। তবে বিহারের নদীগুলির জল নামার কারণে এবং পশ্চিমবঙ্গে চলমান ভারী মৌসুমী বৃষ্টির (Monsoon Rainfall) ফলে গঙ্গা ও তার শাখা নদীগুলির জলস্তর সামান্য স্ফীত রয়েছে।</p>



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *