যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (বায়ে) ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি (ডানে)

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (বায়ে) ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি (ডানে)

    • Author, জেসিকা মারফি
    • Role, কানাডা ডিজিটাল এডিটর, টরোন্টো
  • Published

  • পড়ার সময়: ৫ মিনিট

কানাডা তার মোট উৎপাদিত পণ্যের প্রায় ৭০ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি করে। এমন পরিস্থিতিতে দক্ষিণের প্রতিবেশী এবং বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠা এই বাণিজ্য বিরোধে কানাডার হাতে আসলে কী ধরনের চাপ প্রয়োগের সুযোগ রয়েছে?

মেইন, মিশিগান এবং উইসকনসিনসহ যুক্তরাষ্ট্রের ২৬টি অঙ্গরাজ্যের পণ্যের প্রধান ক্রেতা কানাডা। আর ৫০টি মার্কিন অঙ্গরাজ্যের মধ্যে ৪৫টির ক্ষেত্রেই কানাডা শীর্ষ তিন ক্রেতার একটি। ফলে বাণিজ্যযুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির হাতে কিছু কৌশলগত সুযোগ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই মুহূর্তে কার্নি যে পাল্টা শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা করছেন তা কৌশলগতভাবে, “ডলার-ফর-ডলার”এর ভিত্তিতে নেওয়া হবে। এর লক্ষ্য ইস্পাত, দুগ্ধপণ্য, গৃহস্থালি যন্ত্রপাতি, কৃষিযন্ত্র, ইলেকট্রনিকস, পাল্প ও কাগজশিল্প। তবে তালিকাটি এখনো চূড়ান্ত করা হচ্ছে।

জনমত জরিপগুলো বলছে, কানাডা সরকার যদি উল্টো পথে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বড় ধরনের ছাড় দেয়, তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠ কানাডীয় নাগরিক তাতে অসন্তুষ্ট হবেন।

একই মনোভাব প্রকাশ করেছেন অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ডও, যিনি কানাযায় ট্রাম্পের অন্যতম সোচ্চার সমালোচক। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের শুল্কের হুমকি পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *