এবার কোচবিহার জেলা জুড়ে রাজবংশী অধ্যুষিত অধিকাংশ গ্রামের পরিকাঠামগত সার্বিক উন্নয়নের পরিকল্পনা আদর্শ গ্রাম প্রকল্পে নেওয়া হয়েছে। মূলত রাজবংশী সম্প্রদায় অধিকাংশ বাসিন্দা তফশিলি জাতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এবার সেই তপশিলি অধ্যুষিত কোচবিহারের ৬০৬টি গ্রামকে কেন্দ্রের পিএম অজয় গ্রাম প্রকল্পের (আদর্শ গ্রাম) অধীনে আনা হয়েছে। কোচবিহার জেলার ৬০৬টি গ্রামকে আদর্শ গ্রাম হিসাবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্তের পরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে সার্ভের কাজ। আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়ে তোলার জন্য চিহ্নিত প্রত্যেকটি গ্রামে গড়ে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা করে খরচ করা হবে। সব মিলিয়ে এই প্রকল্পের জন্য একশো কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ কোচবিহার জেলা পেতে চলেছে।

কোচবিহারের অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) প্রীতম লিম্বু জানিয়েছেন, আদর্শ গ্রাম প্রকল্পে কোচবিহার জেলায় মোট ৬০৬ টি গ্রাম চিহ্নিত করা হয়েছে। মূলত যে সমস্ত গ্রামে ৫০ শতাংশের বেশি বাসিন্দা তপশিলি জাতির অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন সেই গ্রামগুলিকে এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেখানে পরিকাঠামো গত উন্নয়ন-সহ কী কী প্রয়োজন রয়েছে, সেই সমস্ত বিষয় সার্ভে করার কাজ শুরু করা হয়েছে। এই মাসের মধ্যেই কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে তবে কিছু কাজ বাকি থাকলে প্রয়োজনে সময় সীমা কিছুটা বাড়ানো হবে। জানা গিয়েছে, কোচবিহার জেলায় রাজবংশী বসবাসকারীদের সংখ্যা অনেকটাই বেশি। তাদের সঙ্গে অন্যান্য কিছু সম্প্রদায়ের মানুষ তপশিলি জাতিভুক্ত রয়েছেন।

আরও পড়ুন:

আদর্শ গ্রাম সেই তফশিলি জাতির অধ্যুষিত এলাকাগুলির সার্বিক উন্নয়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তাতে গ্রামের রাস্তা, পানীয় জল, বিদ্যুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্যানিটেশন সহ বিভিন্ন মৌলিক পরিষেবার উন্নয়ন করার লক্ষ্যমাত্রা থাকে। তাছাড়া তপশিলি জাতি অন্তর্ভুক্ত পরিবারের আয় বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান, আয়বর্ধক প্রকল্প ও পরিকাঠামো তৈরির এই প্রকল্প কাজে লাগানো যেতে পারে। তপশিলি জাতির ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার সুযোগ বাড়াতেও এক্ষেত্রে উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সেই উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়িত করা হবে। কোথায়, কোন, কাজের প্রয়োজন রয়েছে, সেই সংক্রান্ত সার্ভে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *