নিটের প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে পথে নেমেছিল গোটা দেশ। প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের পাশাপাশি জেন জি’র মনে বড়সড় জায়গা করে নিয়েছিলেন দুই ককরোচ নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা। ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা চেয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে যাবতীয় আলোচনা চালিয়েছিলেন এই দুই ‘সুদর্শন’ নেতা। কিন্তু তাঁদেরই এবার সরিয়ে দেওয়া হল পদ থেকে?

ককরোচ জনতা পার্টির শুরু থেকেই জাতীয় মুখপাত্র ছিলেন সৌরভ। পেশায় সাংবাদিক সৌরভের ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য, বুদ্ধিদীপ্ত মতামত আকর্ষণ করেছিল দেশের তরুণ প্রজন্মকে। অনেকেই নেটদুনিয়ায় দাবি করেছেন, সৌরভের ডাকেই তাঁরা যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন এবং আগামী দিনেও ‘ককরোচ’দের কর্মকাণ্ডে শামিল হবেন। অন্যদিকে আশুতোষ ছিলেন পার্টির কো কনভেনর। তাঁকেও সম্প্রতি ব্যাপকভাবে সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে। রাজস্থানে স্কুল পরিদর্শন করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন আইআইটি কানপুর প্রাক্তনী আশুতোষ। বাড়ছে তাঁর জনপ্রিয়তাও।

আরও পড়ুন:

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ফের পথে নামার ডাক দিয়েছে ‘ককরোচ’রা। এহেন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার ঘোষণা করা হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির নতুন পদাধিকারীদের নাম। কিন্তু জাতীয় মুখপাত্রদের তালিকায় নেই সৌরভের নাম! কোনও পদেই দেখা যাচ্ছে না তাঁকে। একই ঘটনা ঘটেছে আশুতোষের সঙ্গেও। পদাধিকারীদের তালিকা থেকে উধাও তিনি। যন্তর মন্তরে নেতৃত্ব দেওয়া বিজেতা দাহিয়ার নামও নেই পদাধিকারীদের তালিকায়। তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি এই নেতাদের ছেঁটে ফেলল সিজেপি?

উত্তরটা সম্ভবত না। মনে করা হচ্ছে, ধর্মেন্দ্রর ইস্তফায় সাফল্য মেলার পর ককরোচ জনতা পার্টির জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে। বাড়ছে দলের সদস্য সংখ্যাও। সেকারণেই নতুন করে কয়েকজনকে বিশেষ পদে বসানো হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত তালিকায় স্রেফ নতুনদের নামই উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ পুরনো নেতারাও যে যার পদে রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে কাজ করবেন ‘ককরোচে’র নতুন নেতৃত্ব। প্রসঙ্গত, সোমবারই ‘ককরোচ’রা জানিয়েছিলেন সরকারের তরফে যে প্রতিশ্রুতিগুলি দেওয়ার হয়েছিল, সেগুলি পূরণ হয়নি। তাই আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ইন্ডিয়া গেট থেকে দিল্লি পুলিশের সদর দপ্তর পর্যন্ত একটি মিছিলের আয়োজন করেছে তারা।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *