কী অভিযোগ গঙ্গারামপুর কলেজে?Image Credit: TV9 Bangla

গঙ্গারামপুর: প্রায় ২০০ জন ফেল করা ছাত্রছাত্রীকে টাকার বিনিময়ে পাশ করিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ও গঙ্গারামপুর কলেজের এক অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, এর জন্য একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। সেই গ্রুপ থেকে টাকা নিয়ে পড়ুয়াদের পাশ করানোর ‘র‍্যাকেট’ চালানো হচ্ছিল। এই ঘটনায় কলেজের ননটিচিং স্টাফ এবং প্রাক্তন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতৃত্বের একাংশের যোগ থাকার অভিযোগ তুলেছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)।

এনিয়ে গঙ্গারামপুর কলেজের পড়ুয়া স্নেহাশিস সিংহ এবিভিপি নেতৃত্বকে সঙ্গে নিয়ে সাতজনের বিরুদ্ধে গঙ্গারামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগকারীদের দাবি, টাকার বিনিময়ে প্রায় ২০০ জন ফেল করা পড়ুয়াকে পাশ করানোর প্রস্তাব নিয়ে কলেজের অধ্যক্ষের কাছে যাওয়া হয়েছিল। এই ঘটনায় কলেজের কয়েকজন নন-টিচিং স্টাফ এবং প্রাক্তন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতৃত্বের একাংশ জড়িত বলে অভিযোগ।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, কৌশিক সাহা ওরফে ‘হ্যালো’ সহ কলেজের একাধিক নন-টিচিং স্টাফের মদতেই এই চক্র চলছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে ইমরান সরকার নামে এক ছাত্রকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন এবিভিপি কর্মীরা। তাঁদের দাবি, ওই ছাত্রই প্রায় ২০০ জন পড়ুয়াকে পাশ করানোর প্রস্তাব নিয়ে কলেজের অধ্যক্ষের কাছে গিয়েছিলেন।

অভিযোগ ঘিরে শুক্রবার দুপুরে গঙ্গারামপুর কলেজে বিক্ষোভ দেখায় এবিভিপি। অধ্যক্ষের ঘরে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভের পর ঘরের সামনে মেঝেতে বসেও প্রতিবাদ জানান ছাত্রছাত্রীরা। সংগঠনের অভিযোগ, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে গঙ্গারামপুর কলেজে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। অভিযোগের সত্যতা কতটা, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপটির সঙ্গে কারা যুক্ত এবং টাকা নিয়ে পাশ করানোর কোনও চক্র আদৌ চলছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা কৌশিক সাহা ওরফে ‘হ্যালো’। তাঁর দাবি, ইমরান সরকার নামে ওই ছাত্রকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই বলেও দাবি করেন তিনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *