মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ-র রোগ গোপন রাখার পুরস্কার

ফুসফুসের উপর পিং-পং বলের চেয়ে বড় দুটি কালো বৃত্ত, চারপাশে সাদা গোল গোল দাগ। এগুলো থেকেই বোঝা যাচ্ছিল যে যক্ষ্মা ফুসফুসকে ধীরে ধীরে ক্ষয় করে দিচ্ছে।

পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলি জিন্নাহর ফুসফুসের এক্স-রে ছিল সেটি।

ল্যারি কলিন্স এবং ডমিনিক ল্যাপিয়ের তাদের ‘ফ্রিডম অ্যাট মিডনাইট’ বইতে লিখেছেন যে, ১৯৪৬ সালের জুন মাসে তৎকালীন বোম্বের দুই চিকিৎসক – ড. ল রতনজি প্যাটেল এবং রেডিওলজিস্ট ড. জল ডেবু – এই এক্স-রে থেকেই বুঝতে পারেন যে, রোগটি এতটাই ছড়িয়ে গিয়েছিল যে মি. জিন্নাহ হয়তো আর মাত্র এক বা দুই বছর বাঁচবেন।

কিন্তু মি. জিন্নাহর নির্দেশে ওই দুই ডাক্তার বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন।

পাকিস্তান সৃষ্টির ৭৯ বছর পর, এই দুই পার্সি ডাক্তারকে “নীরব থেকে গোপনীয়তা বজায় রেখে অসাধারণ সেবা” করার স্বীকৃতি স্বরূপ সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘নিশান-ই-কায়েদ-ই-আজম’-এর জন্য মনোনীত করা হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *