কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রীর (CM Suvendu Adhikari) নির্দেশের ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ (EX MLA Nirmal Ghosh)। পুলিশের ব়্যাডারে রয়েছেন আরও দুইজন। নির্মল ঘোষের পাশাপাশি সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় (Sanjiv Mukherjee) ও সোমনাথ দে-র (Somnath Dey) বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ দায়ের করেছেন তিলোত্তমার বাবা। সেই সঞ্জীব ও সোমনাথ কোথায়? জানা গিয়েছে বাড়িতে নেই সঞ্জীব। ইতিমধ্যেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে টিভি৯ বাংলা। কী জানিয়েছেন তিনি?

বাড়িতে নেই সঞ্জীব

প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিলোত্তমার দেহ সৎকারের সময় শ্মশানের একটি নথিতে স্বাক্ষর করেছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, তিলোত্তমার বাড়ি থেকে ঢিল ছোড়া দূরেই বাড়ি সঞ্জীবের। তবে, বর্তমানে তিনি বাড়িতে নেই। পরিচারিকার দাবি, গত তিন-চার দিন ধরে বাড়িতে নেই সঞ্জীব বাবু। কাজের সূত্রে বাইরে গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

টিভি৯ বাংলাকে কী জানালেন?

টিভি৯ বাংলার তরফে সঞ্জীবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন,ব্যক্তিগত কাজে বর্তমানে বাইরে রয়েছেন। আগামিকালই ফিরবেন। ফিরে তদন্তে সহযোগিতা করবেন। তাঁর কথায়,”পুলিশ হয়ত কোনওভাবে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না। কারণ আমার নম্বর তাঁদের কাছে হয়ত নেই। তবে আমি তদন্তে সহযোগিতা করব।” এদিকে, আরেক প্রাক্তন কাউন্সিলর সোমনাথ দে-র ফ্ল্যাটও তালাবন্ধ বলে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৯ অগস্ট, তিলোত্তমার মৃত্যুর দু’বছর পর নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ১০ অগস্ট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিলোত্তমার বাবা। নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় ও সোমনাথ দে-র নামে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, তথ্যপ্রমাণ লোপাট এবং জোরপূর্বক কাজ করানোর মতো অভিযোগ দায়ের করা হয়। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের তিনদিনের মধ্যেই গ্রেফতার করা হয় নির্মলকে। আরজি কর-কাণ্ডে নিহত তরুণী চিকিৎসকের দেহ দ্রুত দাহ করার অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *