অভ্যুত্থানচেষ্টায় জড়িত সৈন্যরা আত্মসমর্পণ করার পর প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইপ এরদোয়ানের সমর্থকেরা ইস্তানবুলের বসফরাস সেতুতে একটি সেনা ট্যাংক দখল করে তুরস্কের পতাকা নাড়ছেন

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, অভ্যুত্থানচেষ্টাটি মাত্র কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছিল, কিন্তু এর পরিণতি গত এক দশকে তুর্কি রাজনীতিকে পুনর্গঠন করেছে

রাস্তায় গোলাগুলি, চলমান ট্যাংক, সরকারি ভবনের ওপর নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া যুদ্ধবিমান, সংসদ ভবনে হামলা সবকিছুই সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছিল টেলিভিশনে।

তিনটি সামরিক অভ্যুত্থান এবং আরও দুটি সামরিক হস্তক্ষেপের অভিজ্ঞতা থাকা একটি দেশের জন্যও ২০১৬ সালের ১৫ই জুলাইয়ের রাতটি ছিল নজিরবিহীন।

এর আগে কখনও তুরস্কের সংসদ ভবন হামলার শিকার হয়নি এবং ইস্তানবুলের বসফরাস সেতু, যা এখন আনুষ্ঠানিকভাবে ১৫ই জুলাই শহীদ সেতু নামে পরিচিত, কখনও এমন রক্তপাতের সাক্ষী হয়নি।

প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইপ এরদোয়ানের আহ্বানে সাধারণ মানুষ অভ্যুত্থানকারীদের প্রতিরোধে নেমে এসেছিল।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইপ এরদোয়ান ২০১৬ সালের ১৬ই জুলাই ভোরে ইস্তানবুলে ফেসটাইম কলের মাধ্যমে সিএনএন টুর্ক-এ কথা বলছেন।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, অভ্যুত্থানচেষ্টার রাতের অন্যতম প্রতীকী দৃশ্যে পরিণত হয়েছিল অজ্ঞাত স্থান থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের সরাসরি উপস্থিতি

অজ্ঞাত একটি স্থান থেকে মোবাইল ফোন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে সরাসরি একজন টেলিভিশন উপস্থাপকের সঙ্গে কথা বলে এরদোয়ান সেদিন রাতে তার সমর্থকদের রাস্তায় নামার আহ্বান জানান।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *