বাম পাশে সাবেক আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেইনির বড় খোদাইকৃত প্রতিকৃতিসহ একটি হালকা সবুজ রংয়ের ইরানি ব্যাংকনোট, যেখানে ফারসিতে কিছু লেখা রয়েছে। ডান পাশে বহু রঙের পণ্যবাহী কনটেইনার বহনকারী একটি জাহাজের আকাশপথ থেকে তোলা দৃশ্য।

ছবির উৎস, Getty Images

    • Author, সারা ফাইয়াদ
    • Role, বিবিসি নিউজ আরবি

    • Author, আলি রামাজানিয়ান
    • Role, ইরানের অর্থনীতি বিশ্লেষক
  • Published

  • পড়ার সময়: ৭ মিনিট

পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে ইরানের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা তাদের সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টি সবচেয়ে বিতর্কিত ও জটিল ইস্যুগুলোর একটি।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেখানেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

বিদেশে থাকা তহবিলে প্রবেশাধিকার পাওয়ার চেষ্টা দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে তেহরান। এসব অর্থের বড় অংশ নিষেধাজ্ঞা ও ব্যাংকিং সীমাবদ্ধতার কারণে এখনো তাদের নাগালের বাইরে রয়েছে।

যদিও যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীন, ইরাক, ভারতসহ অন্য কয়েকটি দেশে এসব সম্পদ জব্দ আছে, তবে এগুলোতে প্রবেশাধিকার দেওয়া হবে কি না- তা নির্ধারণে ওয়াশিংটনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অর্থের আংশিকও উন্মুক্ত করা গেলে বহু বছরের নিষেধাজ্ঞা, অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের ক্ষতিতে বিপর্যস্ত অর্থনীতির জন্য তা হবে একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *