২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের লড়াইয়ে হোঁচট খেল ইংল্যান্ড। রক্ষণে ঘানার দারুণ নৈপুণ্যের পাশাপাশি সুযোগ নষ্টের খেসরাতও দিয়েছে তাদের। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে ‘পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ’ থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন ইংলিশ অধিনায়ক হ্যার কেন। এই ড্রয়ে শেষ ৩২ নিশ্চিত করতে ইংল্যান্ডকে এখন পরের ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

বোস্টন জিলেট স্টেডিয়াম বুধবার ঘানার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করেছে ইংল্যান্ড। ম্যাচজুড়ে দাপট দেখিয়ে খেললেও ঘানার দৃঢ়তাপূর্ণ রক্ষণ ভাঙতে পারেনি হ্যারি কেন বাহিনী। তাই পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় ১৯৬৬ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নদের।

‘এল’ গ্রুপের এই ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হওয়াতে দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট করে নিয়ে ইংল্যান্ড শীর্ষে ও দুইয়ে আছে ঘানা। একটি করে কম ম্যাচ খেলা পানামা ও ক্রোয়েশিয়া এখনও পয়েন্ট পায়নি।

প্রায় ৭৯ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখে গোলের জন্য ১৯টি শট নিয়ে কেবল তিনটি লক্ষ্যে রাখতে পারে ইংল্যান্ড। ঘানার গোলরক্ষকের তেমন কোন পরীক্ষাই নিতে পারেনি তারা। বিপরীতে ঘানার দুই শটের একটি লক্ষ্যে ছিল।

প্রথমার্ধে ডান দিকে ননি মাডিউক ও রিস জেমস কয়েকবার ঘানার রক্ষণে চাপ তৈরি করেন। ১২ মিনিটে জেমস-মাডিউকের সমন্বয়ে তৈরি হওয়া আক্রমণ শেষ মুহূর্তে ঠেকিয়ে দেন ঘানার ডিফেন্ডাররা। এরপর জেমসের কয়েকটি ক্রসও ঠিকানা খুঁজে পায়নি।

দ্বিতীয়ার্ধেও একই চিত্র। গোলের জন্য মরিয়া ইংল্যান্ড আক্রমণের পর আক্রমণ করতে থাকে। ঘানার রক্ষণ ভাঙতে না পেরে শেষ দিকে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে তারা।

৮৬ মিনিটে ইংল্যান্ডের সামনে সবচেয়ে বড় সুযোগ আসে। বুকায়ো সাকার শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন ঘানার গোলরক্ষক বেঞ্জামিন আসারে। ফিরতি আক্রমণে বল একবার পোস্টেও লাগে। এরপর সুবিধাজনক জায়গা থেকে হ্যারি কেনের নেয়া শট চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে।

যোগ করা অতিরিক্ত সময়েও ইংল্যান্ড কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করে। কর্নার থেকে মার্ক গেহির হেড প্রায় গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন ঘানার ডিফেন্ডাররা। এরপর আরও কয়েকটি সেটপিস পেলেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি ইংল্যান্ড। শেষমুহূর্তে গোলরক্ষক আসারে এগিয়ে এসে কয়েকটি বিপদ সামলে দেন। তাতে ড্র নিয়েই ফিরতে হয় থমাস টুখেলের শিষ্যদের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *