নয়া দিল্লি: শুধু সোশ্যাল মিডিয়া(Social Media) নির্ভরতা নয়, মানুষের দরজায় দরজায় ঘুরতে হবে নেতা-কর্মীদের। রাজ্যে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে এবার বিশেষ বার্তা দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন (Nitin Nabin)। গতকাল নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) সরকারের ১২ বছর পূর্তি উৎসবের কর্মসূচির রূপরেখা ঠিক করতে একটি বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সব রাজ্যের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক। বাংলা থেকেও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সেখানে বাংলা নিয়েও বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়েছে।

বঙ্গে সরকার গঠন হয়ে গিয়েছে। তবে, বাংলায় দলের সংগঠনকে আরও মজবুত করতে একাধিক নির্দেশ দিয়েছেন নীতিন নবীন। শুধু বাংলা নয়, সব রাজ্যেই সংগঠন মজবুতে নজর দিয়েছেন নীতিন নবীন। কী বার্তা দিয়েছেন বৈঠকে, দেখে নেওয়া যাক

বৈঠকে নবীনের বার্তা

  • অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভরতা কমাতে হবে।
  • ভোটারদের সঙ্গে কার্যকর্তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।
  • সরকারের কাজ নিয়ে দরজায় দরজায় ঘুরে তৃণমূল স্তরে প্রচার করতে হবে।
  • রাজ্য সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকদেরও বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়েছে। যেমন
  • দলের কর্মীদের অভাব, অভিযোগ শুনতে হবে।
  • তাঁদের ইচ্ছাকে গুরুত্ব দিতে হবে।
  • সংগঠনের মনোবল যেন সব স্তরে শক্তিশালী হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

২০১৪ সাল থেকে দেশে মোদী সরকার। এবার ১২ বছরের পূর্তি। সেই সংক্রান্ত কর্মসূচি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। কর্মসূচি নিয়ে নীতিন নবীন জানিয়েছেন,

  • ‘বিশ্বাস উন্নয়ন এবং জনস্বার্থে কাজ’ এই স্লোগান ব্যবহার করে ১২ বছরের পূর্তি উৎসব পালন করবে মোদী সরকার।
  • সরকারের কাজ নিয়ে কেন্দ্র এবং রাজ্যস্তরে একাধিক সাংবাদিক বৈঠক হবে।
  • জুনের ৮ থেকে ১৪ তারিখের মধ্যে প্রচার সপ্তাহ পালিত হবে।
  • বৃক্ষরোপণ এবং স্বচ্ছতা অভিযান করা হবে।
  • গঠন করা হবে পাবলিক ওয়েলফেয়ার ক্যাম্প।
  • প্রচারে উল্লেখ করতে হবে, দেশের দীর্ঘতম সময় প্রধানমন্ত্রী থাকার কৃতিত্ব একমাত্র নরেন্দ্র মোদীর।

এদিকে, দলের একসময়ের দক্ষ সংগঠকদের ফের সক্রিয় করতে আলাদা সাংগঠনিক ইউনিট গড়ল বিজেপি। ঘরে বসে যাওয়া প্রবীণ কার্যকর্তাদের খুঁজে বের করে ফের সংগঠনের কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নীতিন নবীন। সেইমতো সংগঠনের এই নতুন ইউনিটের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বর্ষীয়ান আরএসএস নেতা এবং একসময় উত্তর প্রদেশ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠীকে। জানা গিয়েছে, বর্ষীয়ান সংগঠকের পুরনো নেতাদের অভিজ্ঞতাকেই কাজে লাগাতে চাইছেন নবীন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *