‘অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস’-এ বৃহস্পতিবার সন্ধে। ৬টার সময়ে পৌঁছে দেখা গেল, অতিথিদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন সাংসদ পার্থ ভৌমিক। নাটকের নাম ‘কথা ছিল হেঁটে যাব ছায়াপথ’। নাটক, মঞ্চ, আবহ, পোশাক আর নির্দেশনা ভাস্কর মুখোপাধ্যায়ের। অন্ত্রপ্রণর হিসাবে ছিলেন পার্থ ভৌমিক।
এই নাটক দেখতে উপস্থিত হয়েছিলেন নৈহাটির বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। টিভি নাইন বাংলাকে তিনি বললেন, ”এটা নৈহাটির নাটকের দল বাংলা অপেরার নাটক। আজ থেকে দশ-পনেরো বছর আগে আমার মাননীয় শমীক ভট্টাচার্যর সঙ্গে প্রথম পরিচয় এই অ্যাকাডেমিতেই। আমি সুযোগ পেলেই এখানে আসি। মাঝে কিছুদিন ব্যস্ততার কারণে আসতে পারিনি।এখানে লাইটম্যানরা আমাকে চেনেন। নাটক, থিয়েটার যাই বলুন, পশ্চিমবঙ্গ এক সময়ে পীঠস্থান ছিল। আস্তে-আস্তে হারিয়ে গিয়েছে। অ্যাকাডেমির যে স্ক্রিন, সেটা ছিঁড়ে গিয়েছে। ভালো হলের অভাব। এরকম অবস্থায় দর্শকদেরই সমর্থন করতে হবে। টিকিট কেটে দেখতে হবে। আমি সেই তাগিদ থেকে এসেছি।” নৈহাটির বিধায়কের মতোই জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ডক্টর রাজেশ কুমার উপস্থিত হলেন। সুমিত্র, পার্থ, রাজেশ নিজেদের মধ্যে কথা বলছিলেন।
প্রযোজক রাণা সরকার, সঙ্গীত পরিচালক-পরিচালক ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তর মতো টলিপাড়ার নামী মুখরা ছিলেন দর্শকের আসনে। বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী মন দিয়ে দেখছিলেন নাটকটি। তিনি টিভি নাইন বাংলাকে বললেন, ”অ্যাকাডেমিতে দীর্ঘদিন নাটক দেখতে আসা হয়নি। আজ যেমন পার্থ ভৌমিকের তরফে আমন্ত্রণ পেয়েছি, তেমনই নৈহাটির বিধায়ক সুমিত্রদা আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন নাটকটা দেখতে আসার জন্য। গান, নাটক, শাস্ত্রীয় সঙ্গীত এগুলো অত্যন্ত পছন্দের জিনিস। ব্যারাকপুরে পণ্ডিত তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদারের তত্ত্বাবধানে একটা মিউজিক ফেস্টিভ্যালের পরিকল্পনা করছি। গান, নাটক এগুলোর একটা আলাদা স্থান রয়েছে। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।”
