মিশরের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্রয়ের পর হতাশা লুকাতে পারেননি ইরানের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই। ইনজুরি সময়ে ভিএআরের সিদ্ধান্তে গোল বাতিল হওয়া এবং শেষ মুহূর্তে সাঈদ ইজাতোলাহির হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসার পর তিনি বলেন, ইরান শুধু নির্যাতিত নই, দুর্ভাগাও।

গ্রুপ ‘জি’-এর ম্যাচে জিতলেই শেষ ৩২ নিশ্চিত হতো ইরানের। ৯৩ মিনিটে শোজা খলিলজাদের গোল উদযাপনও শুরু হয়ে গিয়েছিল। তবে ভিএআরে দেখা যায়, তার পায়ের সামান্য অংশ অফসাইডে ছিল। ফলে গোল বাতিল হয় এবং প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে ওঠে মিশর। ইরানকে এখন অপেক্ষা করতে হবে সেরা তৃতীয় হওয়া দলগুলোর হিসাবের দিকে।

ম্যাচ শেষে ঘালেনোই বলেছেন, ‘প্রযুক্তির সিদ্ধান্ত আমি মেনে নিচ্ছি। কিন্তু মিলিমিটারের ব্যবধানে গোল বাতিল হওয়াটা আমাদের দুর্ভাগ্য। আগে ভাবতাম আমরা নিপীড়িত-নির্যাতিত দল, এখন মনে হচ্ছে আমরা দুর্ভাগাও।’

বিশ্বকাপ চলাকালে ভ্রমণসংক্রান্ত নানা জটিলতার কথাও তুলে ধরেন ইরান কোচ। যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধ-সংক্রান্ত বিধিনিষেধের কারণে দলটির বেস ক্যাম্প অ্যারিজোনা থেকে সরিয়ে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় নেয়া হয়। প্রথম দুই ম্যাচে খেলার আগের দিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ম্যাচ শেষে আবার ফিরে যেতে হয়েছে তাদের। এতে খেলোয়াড়দের অনুশীলন ব্যাহত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ঘালেনোইর অভিযোগ, স্বাগতিক দেশের আচরণ ইরানের প্রতি ভালো ছিল না। তিনি ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রশংসা করলেও ভবিষ্যতে কোন দলের সঙ্গে যেন এমন পরিস্থিতি না ঘটে, সে বিষয়ে ফিফার আরও দৃঢ় ভূমিকা চেয়েছেন।

এদিকে দুই পয়েন্ট ও গোল পার্থক্য শূন্য নিয়ে সেরা তৃতীয় হওয়া দলগুলোর তালিকায় আপাতত ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে ইরান। নকআউট পর্বে উঠতে হলে এখন অন্য গ্রুপগুলোর ফলাফলের অপেক্ষায় থাকতে হবে তাদের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *