ভারতের আদানি গ্রুপের চেয়ারপারসন গৌতম আদানির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে জালিয়াতি মামলা হয়েছিল। এসব মামলায় গৌতম আদানি ও তার ভাগনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। তবে, নতুন মোড় এসেছে মামলাগুলোতে। জালিয়াতি মামলাটি নিষ্পত্তি করতে যাচ্ছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।

নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানা গেছে।

বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এসব অভিযোগ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিতে পারে। একইসঙ্গে মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে গৌতম আদানি ও অন্যদের বিরুদ্ধে আনা জালিয়াতি মামলাটিও নিষ্পত্তির দিকে এগোচ্ছে।

মামলাগুলো শেষ হয়ে গেলে তা আদানি গ্রুপের জন্য বড় ধরনের সুবিধা হিসেবে দেখা হবে। এই গ্রুপটির ব্যবসা বিস্তৃত কয়লা খনন থেকে শুরু করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বিমানবন্দর খাতে।

মামলা বাতিল ব্যবসায়ী গোষ্ঠীটি আন্তর্জাতিক পুঁজি বাজারে ফেরার সুযোগ করে দেবে এবং তাদের আগ্রাসী সম্প্রসারণ কৌশল আবারও শুরু করার পথ সুগম করবে।

বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত কয়েকজন ব্যক্তি বলেছেন, অভিযুক্তরা দেশের বাইরে থাকায় বিচার বিভাগ অভিযোগগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নিতে পারে। আর এসইসির মামলাটির নিষ্পত্তি হলে সেখানে সাধারণত আর্থিক জরিমানা হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিনের মার্কিন অ্যাটর্নির দফতরের এক মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এসইসি এবং আদানি গ্রুপের প্রতিনিধিরাও তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেননি।

তবে, শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে আদানি গ্রুপ। এমনকি, অভিযোগের পর থেকে এখন পর্যন্ত অভিযুক্তদের কেউই আদালতে হাজির হননি। ফলে মামলাটি কার্যত স্থগিত অবস্থায় রয়েছে।

২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ আদানি গ্রুপের কয়েকজন নির্বাহীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে, আদানি গ্রিন এনার্জির উৎপাদিত বিদ্যুৎ কেনার ব্যবস্থা করতে ভারতীয় কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার পরিকল্পনায় জড়িত ছিলেন তারা। আদানি গ্রিন এনার্জি আদানি গোষ্ঠীরই কোম্পানি। এ ঘটনায় এসইসি গৌতম আদানি ও সাগর আদানির বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা করে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *