ঘরে বিশেষ কিছু না থাকলে দুধ আর চিনি দিয়েই বানিয়ে ফেলুন দোকানের মতো তুলতুলে ছানার জিলিপি। রইল উপকরণ সহ ধাপে ধাপে রেসিপি।

বৃষ্টির দিনে বা হঠাৎ মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছে হলে মিষ্টির দোকানে দৌড়ানোর দরকার নেই। ফ্রিজে দুধ থাকলেই আপনি ঘরে বানিয়ে নিতে পারবেন রসে টইটম্বুর ছানার জিলিপি। নাম শুনে কঠিন মনে হলেও এটা বানানো একদম জলভাত। মাত্র ৩০ মিনিটেই রেডি হয়ে যাবে আর খেতেও হবে দোকানের থেকেও ভালো। চলুন দেখে নিই কীভাবে বানাবেন।

উপকরণ:

ছানার জন্য: ১. ফুল ফ্যাট দুধ – ১ লিটার ২. লেবুর রস বা ভিনিগার – ২ টেবিল চামচ

ডো বানোর জন্য: ১. ময়দা – ২ টেবিল চামচ ২. সুজি – ১ চা চামচ ৩. বেকিং পাউডার – ১ চিমটি

রসের জন্য: ১. চিনি – ২ কাপ ২. জল – ১ কাপ ৩. এলাচ – ২ টো ৪. কেশর – ৫-৬ টা

আরও লাগবে: ভাজার জন্য সাদা তেল বা ঘি

বানোর পদ্ধতি:

ধাপ ১: ছানা তৈরি করুন প্রথমে দুধ ফুটিয়ে নিন। ফুটে উঠলে গ্যাস কমিয়ে লেবুর রস অল্প অল্প করে দিন। ছানা আর সবুজ জল আলাদা হয়ে গেলে গ্যাস বন্ধ করে দিন। পাতলা কাপড়ে ছেঁকে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নিন। ৩০ মিনিট ঝুলিয়ে রাখুন যাতে বাড়তি জল ঝরে যায়।

ধাপ ২: ডো মেখে নিন এবার ছানাটা হাতের তালু দিয়ে ৮-১০ মিনিট ধরে মসৃণ করে মাখুন। একটাও দানা যেন না থাকে। এর মধ্যে ময়দা, সুজি আর বেকিং পাউডার দিয়ে আবার ২ মিনিট মেখে নরম ডো বানান। ১০ মিনিট ঢাকা দিয়ে রাখুন।

ধাপ ৩: রস বানিয়ে নিন একটা কড়াইতে চিনি আর জল দিয়ে ফোটান। ৫ মিনিট ফোটানোর পর একটু আঠালো হলে এলাচ আর কেশর দিয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন। রসটা যেন হালকা গরম থাকে।

ধাপ ৪: জিলিপির আকার দিন ছানার ডো থেকে ছোট লেচি কেটে নিন। হাত দিয়ে লম্বা করে পাকিয়ে জিলিপির মতো গোল পাক দিন। চাইলে পাইপিং ব্যাগেও ভরে নিতে পারেন।

ধাপ ৫: ভেজে রসে দিন কড়াইতে তেল মাঝারি আঁচে গরম করুন। জিলিপিগুলো দিয়ে উল্টে পাল্টে সোনালি বাদামি করে ভাজুন। গরম গরম ভাজা জিলিপি তুলেই হালকা গরম রসে ছেড়ে দিন। ১৫ মিনিট রসে ভিজিয়ে রাখলেই রেডি ছানার জিলিপি।

পারফেক্ট ছানার জিলিপির ৩টে টিপস: ১. ছানা মসৃণ হতে হবে: ভালো করে না মাখলে ভাজার সময় জিলিপি ফেটে যাবে। ২. রসের তাপমাত্রা: রস খুব গরম থাকলে জিলিপি শক্ত হয়ে যাবে। হালকা গরম রসেই ভেজানো ভালো। ৩. মাঝারি আঁচ: তেল বেশি গরম হলে উপরটা পুড়ে যাবে কিন্তু ভিতরটা কাঁচা থাকবে।

পুজো, জন্মদিন বা অতিথি আপ্যায়নে ৩০ মিনিটে বানিয়ে ফেলুন এই ছানার জিলিপি। এক কামড়েই মুখে মিলিয়ে যাবে। আর সবচেয়ে বড় কথা, ঘরের জিনিস দিয়ে বানানো তাই একদম স্বাস্থ্যকর।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *