মঙ্গলবারের হামলায় এনসিপি নেতা সারজিস আলমসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। এর প্রতিবাদে বুধবার বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে এনসিপি

ছবির উৎস, NCP MEDIA

ছবির ক্যাপশান, মঙ্গলবারের হামলায় এনসিপি নেতা সারজিস আলমসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। এর প্রতিবাদে বুধবার বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে এনসিপি

মঙ্গলবার হবিগঞ্জে
এনসিপির জুলাই পদযাত্রায় হামলার প্রতিবাদে সেখানেই বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল
এনসিপি। ওই কর্মসূচিতে যোগ দিতে এরই মধ্যে হবিগঞ্জের পথে রয়েছে দলটির নেতারা।

মঙ্গলবার রাতে
এনসিপি এই কর্মসূচি ঘোষণার পর একই স্থানে বিএনপি ও ছাত্রদল কর্মসূচি ঘোষণা করায়
হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।

তবে প্রশাসন ১৪৪
ধারা জারি করলেও কর্মসূচি পালন করতে সেখানে যাচ্ছেন এনসিপির নেতারা।

এই কর্মসূচিতে
কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে রয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ
হুইপ নাহিদ ইসলাম, দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহসহ দলটির
সিনিয়র নেতারা।

আর আগে থেকেই
সেখানে আছেন নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

এনসিপির মিডিয়া
উপ কমিটির সদস্য ইয়াসির আরাফাত বিবিসি বাংলাকে জানান,
কর্মসূচি পালনের
উদ্দেশ্যে এনসিপি নেতারা এখন খুব কাছাকাছি রয়েছে।

১৪৪ ধারার মধ্যে
কিভাবে কর্মসূচি পালন করবে এমন প্রশ্নের জবাবে মি. আরাফাত বলেন,
”আহ্বায়কসহ
কেন্দ্রীয় নেতারা সেখানে পৌঁছানোর পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে”।

মঙ্গলবার হবিগঞ্জ
শহরে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’র কর্মসূচি চলাকালে ও শেষে ফেরার পথে কেন্দ্রীয়
নেতাদের গাড়িবহরে দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার অভিযোগ ওঠে বিএনপি ও
ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

পরে কয়েকজন সারজিস
আলমসহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতাকে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনাও ঘটে। পরে পুলিশি অবরোধের
পর রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় হবিগঞ্জ ছেড়েছিলে।

এরপরই বুধবার
হবিগঞ্জে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করায় সেখানে ১৪৪ ধারা জারির পর জেলাটিতে কিছুটা
উত্তেজনা বিরাজ করছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *