বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর ক্রমাগত হামলার গত গত অগাস্টে কেশম দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তের অদূরে তেলের একটি আস্তরণ দেখা দেয়

ছবির ক্যাপশান, বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর ক্রমাগত হামলার গত গত অগাস্টে কেশম দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তের অদূরে তেলের একটি আস্তরণ দেখা দেয়

ইরানের কেশম দ্বীপের একটি অংশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনার খবর প্রকাশের এক ঘণ্টা পর, মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানায় যে সোমবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী সীমিত আকারের হামলায় কেশম দ্বীপের কয়েকটি এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল লিখেছে, “মার্কিন কর্মকর্তারা ঘোষণা করেছেন যে সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কেশম দ্বীপকে লক্ষ্যবস্তু করেছে”।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ওয়াশিংটন গোপনে ইরানের বিরুদ্ধে যে ধারাবাহিক সীমিত হামলা চালিয়েছে, এটি তারই সর্বশেষ ঘটনা। একই সময়ে সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনার কথাও বলেছেন।

ফক্স নিউজ জানিয়েছে, কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে ইরান একটি মার্কিন বিমানকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত কেশম দ্বীপকে লক্ষ্যবস্তু করে।

একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা ফক্স নিউজকে বলেন, এই হামলা ছিল “প্রতিরক্ষামূলক”। তিনি আরও বলেন, এই পদক্ষেপকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা পুনরায় শুরু হওয়া বা উত্তেজনা বৃদ্ধির সূচনা হিসেবে দেখা উচিত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রকাশনা অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদক বারাক রাভিদ বলেন, একজন মার্কিন কর্মকর্তা তাকে জানিয়েছেন যে সোমবার রাতে “বিপ্লবী গার্ড বাহিনী কেশম দ্বীপ থেকে হরমুজ প্রণালিতে থাকা একটি মার্কিন বিমানের দিকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আত্মরক্ষার অংশ হিসেবে মার্কিন যুদ্ধবিমানটি ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ধ্বংস করে।”

একই সময়ে, বিপ্লবী গার্ড বাহিনী দাবি করেছে যে তারা ইরানের এই দ্বীপের আকাশে দুটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

সাধারণত এক্স প্ল্যাটফর্মে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা শুরু ও শেষ হওয়ার ঘোষণা দিয়ে থাকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের সদর দপ্তর সেন্টকম। তবে এ প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত তারা এসব খবরের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *