বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনতে ১৩টি দেশে ২৩টি মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলএআর) পাঠিয়েছে সরকার। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি অনুরোধের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেটের ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদের দুঃশাসনের কারণে দেশের আর্থিক খাত, বিশেষ করে ব্যাংকিং খাত নিয়ে জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তাই বর্তমান বাজেটের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং আর্থিক ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।
তিনি জানান, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ১৩টি দেশে ২৩টি মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট পাঠানো হয়েছে এবং এর মধ্যে অনেকগুলোর আইনি প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ১৫টিরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংক আন্তর্জাতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ৬০টির বেশি নন-ডিসপোজাল এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর করেছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বিদেশে থাকা সম্পদের স্থানান্তর বা বিক্রি ঠেকিয়ে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেগুলো দেশে ফিরিয়ে আনার পথ সুগম হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক আইন-কানুন অনুসরণ করে যত দ্রুত সম্ভব এবং যত বেশি পরিমাণে সম্ভব বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

