কয়েক দিনের ভ্যাপসা গরমের পর ফের বদলাচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া। বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।
আজ, বৃহস্পতিবার পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। এই জেলাগুলিতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে।
– বিজ্ঞাপন –
শুক্রবারও দুর্যোগ, ৩০-৪০ কিমি বেগে হাওয়া
১৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার, দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। বজ্রবিদ্যুতের সঙ্গে দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে। কলকাতার ক্ষেত্রেও শুক্রবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
বৃষ্টির পরিমাণ ধীরে ধীরে কমলেও শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ফের ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার দু’-একটি জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
রবিবারেও ঝড়-বৃষ্টি, সোমবার থেকে স্বস্তি
রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর বৃষ্টির ব্যাপকতা কিছুটা কমবে। তবে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে।
এর পর সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কমার ইঙ্গিত রয়েছে। কলকাতার ক্ষেত্রেও ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে, তবে ওই দিনগুলিতে কোনও সতর্কতা নেই।
বিজ্ঞাপন
উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা
শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলাতেও আগামী ২৪ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে। তবে ১৮ সেপ্টেম্বরের পর উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জন্য বজ্রপাত ও দমকা হাওয়ার সতর্কতাও রয়েছে। তাই ঝড়বৃষ্টির সময় খোলা জায়গায় না থাকা এবং বিদ্যুৎ চমকালে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শই নিরাপদ।
