
Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট
বিশ্বের অনেক দেশ গিগাবিট গতির ইন্টারনেটের ওপর ভিত্তি করে ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তুললেও বাংলাদেশ এখনো ধীরগতির ইন্টারনেট ও দুর্বল ডিজিটাল অবকাঠামোর চ্যালেঞ্জে রয়েছে। দেশে ফোরজি নেটওয়ার্ক বিস্তৃত হলেও ৪৭ শতাংশ মানুষ এখনো ইন্টারনেটের বাইরে। মোবাইল ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গতিতেও বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে বেশ পিছিয়ে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্বল ইন্টারনেট সেবা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ, রফতানি, ফ্রিল্যান্সিং, স্টার্টআপ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সরকারি ডিজিটাল সেবার উন্নয়নে বাধা তৈরি করছে। একই সঙ্গে সরকারের ক্যাশলেস সমাজ গড়ার লক্ষ্যও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।
তাদের মতে, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এবং ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এখনই দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ডিজিটাল অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিনিয়োগ ও রূপান্তর প্রয়োজন।
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের উদাহরণ দিয়ে বলেছে, নেটওয়ার্ক দেশের অধিকাংশ জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছলেও উচ্চমূল্যের ডিভাইস, ডেটা প্যাকেজ ও ডিজিটাল সাক্ষরতার ঘাটতির কারণে অনেক মানুষ এখনো ইন্টারনেট ব্যবহারের বাইরে রয়েছে। ২০২৪ সালে বাংলাদেশে ফোরজি মোবাইল নেটওয়ার্ক দেশের শতভাগ জনগোষ্ঠীর আওতায় পৌঁছলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্যবহার করত মাত্র ৫৩ শতাংশ মানুষ।


দেশের বিভিন্ন এলাকায় বোমা ও বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনা ঘটছে। এর মধ্যে কয়েকটি এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া বোমা ছিল ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইসের (আইইডি)। শুক্রবার ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার খেজুরবাগান এলাকায় ‘প্রেশার কুকার’সদৃশ বোমা পাওয়া যায়। পুলিশ বলছে, এটিতে রিমোট কন্ট্রোল যুক্ত ছিল।
এর আগে গত ২৪ জুলাই রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ থেকে ‘পাইপ বোমা’ উদ্ধার করে পুলিশ। বোমাটির সঙ্গে টাইমার যুক্ত ছিল। এটি পরিত্যক্ত ছাতার মধ্যে রাখা ছিল।
কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সূত্র বলছে, মতিঝিল ও আশুলিয়ার ঘটনায় উদ্ধার বোমা আইইডি ছিল। এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা বের করার চেষ্টা চলছে। জনবহুল এলাকায় বোমা কারা রেখেছে, এর উৎস ও পেছনে কোনো উগ্রপন্থি নেটওয়ার্ক রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে আজ শনিবার রাজধানীর ফার্মগেট ও মিরপুর ১০-এ মেট্রোরেল স্টেশনে ‘বোমাসদৃশ’ দুটি পরিত্যক্ত বস্তু পাওয়ার খবরে জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে সিটিটিসির বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। পরে পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া বস্তু দুটি বোমা নয়। বস্তার মধ্যে পান, সুপারি, জর্দার কৌটা ও আবর্জনা ছিল।

বিএনপির পরবর্তী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্ত করার পূর্ণ দায়িত্ব দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেওয়া হয়েছে। দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিএনপির নেতারা জানান, রাষ্ট্রপতি পদে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তারেক রহমান। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, সংবিধান নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
গতকাল শনিবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয় । বৈঠক শেষে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ।

নিউ এইজ পত্রিকার খবর – Bangladesh eyes US IT investment অর্থাৎ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগের দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। শনিবার ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ আগ্রহের কথা জানান। একই দিনে বাংলাদেশ চীনের নেতৃত্বে গঠিত ওয়ার্ল্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন -এ পর্যবেক্ষক সদস্য হিসেবে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তও ঘোষণা করে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই দুই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে একযোগে সহযোগিতা বাড়ানোর কৌশল অনুসরণ করছে। সরকার বলছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, ডিজিটাল বৈষম্য কমানো এবং নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক এআই উন্নয়নে কাজ করাই ওয়াইকো-তে যোগ দেওয়ার অন্যতম লক্ষ্য।

নির্বাচিত সরকারের নেতৃত্বে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরেছে বলে আস্থা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে সরাসরি বিনিয়োগের বার্তাও দিয়েছে দেশটি।
বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি ও ফার্মাসিউটিক্যাল খাতকে সামনে রেখে ঢাকার সঙ্গে নতুন অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন।
এরই ধারাবাহিকতায় আগামী সপ্তাহের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২৫টি শীর্ষ শিল্প ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ৪৫ জনের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ঢাকা সফরে আসছে।
দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে এবার নিরাপত্তা বা রাজনৈতিক ইস্যুর পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সহযোগিতার মতো বিষয়গুলো বেশি গুরুত্ব পেয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। সাক্ষাতে সার্জিও গর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে। এর প্রতিফলন হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য বিদ্যমান ট্রাভেল অ্যাডভাইজারি ইতিবাচকভাবে সংশোধন করেছে। এর ফলে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে যে বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জন্য অনুকূল।’
গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে অত্যন্ত উষ্ণ ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন ও রেহান আসিফ আসাদ, ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আরিফুর রহমান এবং ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশসহ ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ বা ব্যবসায়িক ভিসা পেতে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত ‘বন্ড’ বা জামানত নেওয়ার কর্মসূচি স্থায়ী করতে যাচ্ছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর।
গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রেজিস্টারের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে- কনস্যুলার কর্মকর্তারা প্রয়োজন মনে করলে ভিসা ইস্যু করার শর্ত হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু অ-অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীকে ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।
সংশ্লিষ্ট কনস্যুলার কর্মকর্তারা বন্ডের এই পরিমাণ নির্ধারণ করবেন। নতুন নিয়মটি বি-১ (ব্যবসা) এবং বি-২ (পর্যটন) ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের দাবি, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যাওয়ার প্রবণতা কমাতেই এ নীতি নেওয়া হয়েছে।
আগামীকাল সোমবার ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশের মাধ্যমে নতুন এই বিধিমালা কার্যকর হবে। এই কর্মসূচির আওতাভুক্ত ৫০টি দেশের মধ্যে ৩০টিই আফ্রিকার দেশ।
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও ভুটান, কম্বোডিয়া, জর্জিয়া, কিরগিজস্তান, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তানের নাম রয়েছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে চূড়ান্ত ধাপের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ পর্যায়ে। আগামী মাসে জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে তার আগে প্রতিটি পরীক্ষার ফল পর্যালোচনা করে অনুমোদন দেবে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্র বলছে, প্রথম ইউনিটের চুল্লিপাত্রে পারমাণবিক জ্বালানি প্রবেশ করানোর কাজ গত ১২ মে শেষ হয়েছে। চলমান পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হলে চুল্লিতে নিয়ন্ত্রিত বিভাজন বিক্রিয়া শুরু করা হবে। এতে উৎপন্ন তাপ দিয়ে বাষ্প তৈরি করে টারবাইন ঘোরানোর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। এর মধ্য দিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় ৩৩তম দেশ হবে বাংলাদেশ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রূপপুরের একটি ইউনিট চালু হলে বছরে ১০০ কোটি ডলারের জ্বালানি আমদানি সাশ্রয় করা যেত। অথচ সাড়ে তিন বছর পিছিয়ে গেছে এটি।
অবশ্য আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে রূপপুর কর্তৃপক্ষের। যদিও ৫ মাসে এটি সম্ভব না-ও হতে পারে বলে মনে করছেন বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নিরাপত্তা পরিস্থিতি গত দুই বছরে নতুন মাত্রা পেয়েছে। রাখাইন রাজ্যের বড় অংশে সশস্ত্র সংগঠন আরাকান আর্মির (এএ) নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর সীমান্তজুড়ে মাদক, অস্ত্র, মানবপাচার ও অবৈধ বাণিজ্য নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি পাওয়া একটি বিস্তৃত বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আরাকান আর্মি শুধু একটি বিদ্রোহী সংগঠন নয়; এটি ধীরে ধীরে একটি আন্তর্জাতিক মাদক-নির্ভর অর্থনৈতিক নেটওয়ার্কে পরিণত হয়েছে, যার অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তু বাংলাদেশ।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এখন ইয়াবার অন্যতম বড় বাজারে পরিণত হয়েছে এবং সংগঠনটি সীমান্ত, সমুদ্রপথ ও পাহাড়ি অঞ্চল ব্যবহার করে একটি সুসংগঠিত সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। তবে এসব দাবির কিছু কিছু অংশ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতিক্রিয়াও প্রতিবেদনে নেই।

টাইমস অফ বাংলাদেশের খবর Family card: Tk50cr launch jars with austerity drive অর্থাৎ ব্যয়সংকোচনের মধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনে ৫০ কোটি টাকার প্রস্তাব
সরকার যখন ব্যয়সংকোচনের ওপর জোর দিচ্ছে, ঠিক তখনই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের একটি প্রস্তাব বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকারের অন্যতম এই কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগী শনাক্তকরণ, জরিপ, ট্যাব কেনা এবং স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড তৈরির জন্য মোট ১ হাজার ৯০৯ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য ৫০ কোটি টাকা রাখা হয়েছে।
এত বড় অঙ্কের বরাদ্দ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুশাসনবিষয়ক সংগঠন সুজন-এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। তাঁর মতে, এই অর্থ সরাসরি দরিদ্র পরিবারের সহায়তায় ব্যয় করা গেলে বেশি উপকার হতো। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এত টাকা খরচের পরিকল্পনা কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তবে প্রকল্প পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও পুরো অর্থ খরচ করা হবে—এমন নয়। এদিকে চলতি বাজেটে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা বিএনপির অন্যতম প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- $100 Billion exports by 2030: Businesses see energy crisis as main hurdle অর্থাৎ ২০৩০ সালের মধ্যে বার্ষিক রপ্তানি ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যে ব্যবসায়ীরা জ্বালানি সংকটকে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তারা শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, করব্যবস্থার সংস্কার এবং নিয়ন্ত্রক জটিলতা কমানোর দাবি জানান।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিল্প খাতের জন্য আগামী দুই বছরের মধ্যে নতুন একটি ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে সহায়তা করবে।
তিনি জানান, ২০৩০ সালের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পোশাক, ওষুধ, বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক পণ্য, মোটর যন্ত্রাংশ, মানবসৃষ্ট তন্তুর পোশাক, সিরামিক এবং চামড়াজাত পণ্যসহ ১০টি সম্ভাবনাময় খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সমন্বিত উদ্যোগেই দেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
