গরম ভাতে এক চামচ ঘি—বাঙালির পাতে এই স্বাদের জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু বাজার থেকে কেনা ঘি সত্যিই খাঁটি কি না, তা নিয়ে এবার সতর্কবার্তা। জম্মু-কাশ্মীরের Food & Drugs Administration (FDA) পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা করে ১০টি নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড ও ব্যাচের ঘিকে নিম্নমানের, অনিরাপদ বা ভুলভাবে লেবেল করা পণ্য হিসেবে চিহ্নিত করে সেগুলির বিক্রি, মজুত, সরবরাহ ও প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

পরীক্ষা করা নমুনায় বিদেশি উদ্ভিজ্জ ফ্যাটের উপস্থিতি, β-sitosterol এবং নির্ধারিত ফ্যাটি অ্যাসিডের গঠনে অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। FSSAI-র মান অনুযায়ী, খাঁটি ঘিতে দুধের ফ্যাটই মূল উপাদান এবং β-sitosterol থাকার কথা নয়।

– বিজ্ঞাপন –

ঘি কেনার সময় কী দেখবেন?

FSSAI নম্বর ও লেবেল: প্যাকেটের গায়ে FSSAI লাইসেন্সের তথ্য, পণ্যের নাম, উপকরণ, প্রস্তুতকারকের বিবরণ এবং অন্যান্য বাধ্যতামূলক তথ্য স্পষ্টভাবে রয়েছে কি না দেখুন।

উপকরণের তালিকা: ‘Ghee’ হিসেবে বিক্রি হওয়া পণ্যে দুধের ফ্যাটের বদলে উদ্ভিজ্জ তেল বা অন্য ফ্যাট ব্যবহারের উল্লেখ থাকলে সতর্ক থাকুন।

মেয়াদ ও প্যাকেজিং: উৎপাদনের তারিখ, ‘Best Before’ বা মেয়াদের তথ্য এবং প্যাকেটের অখণ্ডতা পরীক্ষা করে তবেই কিনুন।

অস্বাভাবিক দাবি এড়িয়ে চলুন: শুধু রং, গন্ধ, গলন বা জমাট বাঁধার ধরন দেখে ঘি ১০০ শতাংশ খাঁটি কি না নিশ্চিত করা যায় না। ভেজাল শনাক্ত করতে নির্ভরযোগ্য পরীক্ষাগার পরীক্ষা প্রয়োজন। FSSAI-ও ঘিতে উদ্ভিজ্জ তেল শনাক্ত করতে নির্দিষ্ট পরীক্ষাপদ্ধতি ব্যবহার করে।

বিজ্ঞাপন

তাই ঘি কেনার ক্ষেত্রে শুধু ব্র্যান্ডের নাম বা প্যাকেটের চেহারা নয়, লেবেল, FSSAI-র তথ্য ও পণ্যের বৈধতা যাচাই করাই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *