সুব্রত গোস্বামী
মানবতার সেবায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গড়িয়া সহমর্মীর ‘মা অন্নপূর্ণা ভান্ডার’ প্রকল্পের উদ্যোগে ১২ এপ্রিল, রবিবার একটি অত্যন্ত সুন্দর ও হৃদয়স্পর্শী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই দিনটি ছিল গড়িয়া সহমর্মীর পরম আত্মজন রাজেশ বৈষ্ণব মহাশয়ের একমাত্র পুত্র দীপাঞ্জনের শুভ জন্মদিন। আর সেই বিশেষ দিনটিকে অর্থবহ করে তুলতেই এই মানবিক উদ্যোগ।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল গড়িয়া গড়াগাছা অঞ্চলের প্রায় ১০০ জন শিশু ও তাদের মায়েদের মধ্যে স্নেহভরে মধ্যাহ্নভোজ বিতরণ। ছোটো ছোটো শিশুদের উচ্ছ্বাস, মায়েদের মুখে তৃপ্তির হাসি—সব মিলিয়ে পরিবেশটি হয়ে উঠেছিল এক অপূর্ব আনন্দময় ও আবেগঘন মুহূর্তে ভরা।

এই উদ্যোগ শুধু আহারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল বার্তা বহন করেছে। উপস্থিত সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, আন্তরিকতা এবং সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এমন মানবিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হোক—এই আশীর্বাদ ও শুভকামনা জানান।


পরিশেষে বলা যায়, দীপাঞ্জনের জন্মদিনটি শুধুমাত্র একটি পারিবারিক আনন্দের দিন হয়ে না থেকে, বহু মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর মাধ্যমে এক মহৎ উদযাপনে পরিণত হয়েছে। ‘মা অন্নপূর্ণা ভান্ডার’ প্রকল্প আবার প্রমাণ করল মানবতার সেবাই সর্বোচ্চ ধর্ম।
এ দিনের অনুষ্ঠানে গড়িয়া সহমর্মীর পরম শুভানুধ্যায়ী অধ্যাপিকা সুচন্দ্রা ভট্টাচার্য ও শম্পা দাশগুপ্তের উদ্যোগে ঈশ্বরতুল্য ‘মায়েদের’ হাতে ১লা বৈশাখ উপলক্ষে নতুন শাড়িও তুলে দেওয়া হল।
