বাংলাদেশ ব্যাংক

ছবির উৎস, Getty Images

Published

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ নিয়ে আলোচনা প্রায়ই সামনে আসে। কখনো বলা হয় খেলাপি ঋণ বেড়েছে, কখনো ঋণ পুনঃতফসিলের (রিশিডিউলিং) খবর আসে, আবার কখনো কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দেউলিয়া হওয়ার ঘটনা শিরোনাম হয়।।

উদাহরণস্বরূপ, সাম্প্রতিক সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১৮ লাখ ২০ হাজার ৯১৫ কোটি টাকার স্থিতি ঋণের প্রায় ৬০ শতাংশই ছিল ‘ডিস্ট্রেসড লোন’ – অর্থাৎ, এমন ঋণ যা খেলাপিতে পরিণত হওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে ছিল।

সহজভাবে বলতে গেলে, দেশের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ঋণ স্বাভাবিকভাবে পরিশোধ হচ্ছিলো না।

এই প্রতিবেদনে ‘ডিস্ট্রেসড লোন’-এর পাশাপাশি ‘ডিফল্টেড’ বা ‘ব্যাড লোন’, ‘লোন রিশিডিউলিং (ঋণ পুনঃতফসিল)’, ‘ব্যাংকরাপ্সি (দেউলিয়াত্ব)’সহ এ সংক্রান্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হবে। এও দেখা হবে যে প্রতিটি ক্ষেত্রে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

টাকা

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ঋণ আর স্বাভাবিকভাবে পরিশোধ হচ্ছে না

খেলাপি ঋণ

খেলাপি ঋণ বা অনাদায়ি ঋণ, ইংরেজিতে যাকে বলে ডিফল্ট লোন বা ব্যাড লোন, কিংবা নন-পারফর্মিং লোন (এনপিএল)।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *