অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে আজ সকালে আদালত মুক্তি দিয়েছে। শনিবার সকালে দিল্লিতে অবতরণের পর একটি বিমান থেকে তাঁদের আটক করা হয়েছিল। রবিবার সকালে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছিল যে তাঁদের প্রিভেনটিভ অ্যারেস্ট করা হয়েছিল। পরে দিল্লির ক্যান্টনমেন্ট এলাকার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সিজেপি-র এই তিন নেতাকে মুক্তি দেয়।

‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে আজ সকালে আদালত মুক্তি দিয়েছে। শনিবার সকালে দিল্লিতে অবতরণের পর একটি বিমান থেকে তাঁদের আটক করা হয়েছিল। রবিবার সকালে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছিল যে তাঁদের প্রিভেনটিভ অ্যারেস্ট করা হয়েছিল। পরে দিল্লির ক্যান্টনমেন্ট এলাকার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সিজেপি-র এই তিন নেতাকে মুক্তি দেয়। অন্যদিকে, ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে শনিবার গভীর রাতে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শনিবার, ১০ অক্টোবর মুম্বই থেকে দিল্লিতে পৌঁছনোর পর ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকেই অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করে পুলিশ। তাঁদের বিমান থেকে নামিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তিনজনকে আলাদা আলাদা থানায় রাখা হয়। রবিবার তাঁদের প্রতিরোধমূলক হেফাজতে নেওয়ার কথা জানায় পুলিশ। বিক্ষোভের জেরে আইনশৃঙ্খলার অবনতি এড়াতেই এই পদক্ষেপ বলে পুলিশের সূত্রে খবর।

কেন বিক্ষোভের ডাক CJP-র?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে CJP। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে তারা। এই অভিযোগের প্রতিবাদেই জমায়েতের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলিকে প্রমাণিত অনিয়ম হিসেবে দেখার আগে সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করা জরুরি। গতকাল রাজনীতিবিদ-সহ ৩,০০০-এরও বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছিল। পরে রাতের দিকে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। শনিবার গভীর রাতে মুক্তি পান ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিও। মধ্য দিল্লির যন্তর মন্তরে বিশৃঙ্খলা এড়াতে রাজধানীজুড়ে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে পুলিশ। এর জেরে বিক্ষোভকারীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে পড়েন। যন্তর মন্তরে কর্মসূচির অনুমতি না দেওয়ার পিছনে আইনশৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা এবং যান চলাচলে বিঘ্নের আশঙ্কার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

ফের যন্তর মন্তরে মিছিলের ঘোষণা

অভিজিৎ দীপকে-সহ তিন নেতা হেফাজতে থাকায় তাঁদের অনুপস্থিতিতে CJP নেতা অজিঙ্কে শিন্ডে জানিয়েছেন, বিক্ষোভকারীরা রবিবারও যন্তর মন্তরের দিকে মিছিল করবেন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

CJP-কে নিশানা বিজেপির

CJP-কে বিরোধী শক্তির একটি অংশ হিসেবে উল্লেখ করে বিজেপির অভিযোগ, এই ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন অভিযোগ করেছেন, বিরোধী গোষ্ঠীগুলি বিদেশি শক্তির নির্দেশে পরিচালিত কার্যকলাপের মাধ্যমে ভারতের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন, গণতন্ত্রে প্রত্যেকেরই ভিন্নমত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। তবে অরাজকতা ছড়ানোর অধিকার কারও নেই বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। তরুণ প্রজন্মের প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, ‘জেন-জি’ বা বর্তমান প্রজন্মের তরুণরা সাময়িকভাবে বিপথগামী হতে পারে, কিন্তু দেশ গঠনের লক্ষ্য থেকে তাদের বিচ্যুত হওয়া উচিত নয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *