পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে  ওসামা বিন লাদেন

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে ২০১১ সালে মার্কিন কমান্ডোদের এক অভিযানে ওসামা বিন লাদেন নিহত হন

পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে ২০১১ সালের ২রা মে মার্কিন সেনাদের হাতে আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেন কীভাবে নিহত হয়েছিলেন, তার বিস্তারিত বিবরণ বই, নিবন্ধ এবং চলচ্চিত্রে বহুবার উঠে এসেছে।

তবে ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুর ঠিক পরপরই পাকিস্তানের ক্ষমতার অলিন্দে কী ঘটেছিল, তা নিয়ে খুব কমই আলোচনা হয়েছে।

সম্প্রতি ‘দ্য জারদারি প্রেসিডেন্সি, নাও ইট মাস্ট বি টোল্ড’ শিরোনামে একটি বই প্রকাশ করেছেন ফারহাতুল্লাহ বাবর, যিনি তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির মুখপাত্র এবং পাকিস্তানের একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন। এই বইয়ে তিনি সেই দিনগুলোর বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন।

বই অনুসারে, ২০১১ সালের ২রা মে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে প্রেসিডেন্ট জারদারির এডিসি ফারহাতুল্লাহ বাবরকে ফোন করে জরুরি বৈঠকের জন্য দ্রুত প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে পৌঁছাতে বলেন।

ফারহাতুল্লাহ বাবর লিখেছেন, “প্রেসিডেন্ট সাধারণত বিকেলে অফিসে আসতেন। এত সকালে কল পাওয়াটা কিছুটা অদ্ভুত ছিল। আমি বুঝতে পারলাম যে কিছু একটা গড়বড় হয়েছে, তবে কী এবং কোথায় সমস্যা হতে পারে, তা আমি বুঝে উঠতে পারিনি। আমি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রাব্বানি খার এবং পররাষ্ট্র সচিব সালমান বশিরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু সফল হইনি।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *