দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনার সম্ভাবনায় দাঁড়ি! পাকিস্তানের প্রতিনিধি দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার পাকিস্তান সফর সেরে ইরানের প্রতিনিধি দল ফিরে যাওয়ার পর সংবাদমাধ্যমকে ট্রাম্প জানালেন, পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছেন না তিনি। তাঁর কথায়, ”১৮ ঘণ্টার বিমান সফর সময় নষ্ট ছাড়া কিছুই নয়।”
শান্তি বৈঠকে যোগ দিতে শনিবার পাকিস্তানে যাওয়ার কথা ছিল স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের। তবে তাঁর আগেই পাশা উলটে দেয় ইরান। শুক্রবার ইসলামাবাদে পৌঁছেছিল ইরানের প্রতিনিধি দল। যার নেতৃত্বে ছিলেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি। কিন্তু জানা যায়, শনিবার পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে দেখা করার পরই ইসলামাবাদ ছাড়েন তারা। এরপরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তাহলে কি ফের ভেস্তে গেল দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠক? এই অবস্থায় সেই সম্ভাবনাতেই কার্যত সিলমোহর দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
আরও পড়ুন:
সোশাল মিডিয়াতে ট্রাম্প লেখেন, ‘যাতায়াতে অনেক বেশি সময় নষ্ট। আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজ রয়েছে।’
এদিন ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমার লোকজন পাকিস্তানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু আমি তাদের বলেছি ওখানে যেতে হবে না। ১৮ ঘণ্টার বিমান সফর করে ইসলামাবাদ গিয়ে সময় নষ্ট করার কোনও দরকার নেই।” পাশাপাশি ট্রাম্প জানিয়েছেন, “আমাদের হাতেই যাবতীয় ক্ষমতা রয়েছে। ওদের হাতে কিছুই নেই। যদি আলোচনা চায় তবে ওরা (ইরান) যখন খুশি ফোন করতে পারে।” এরপর নিজের সোশাল মিডিয়াতেও ট্রাম্প লেখেন, ‘যাতায়াতে অনেক বেশি সময় নষ্ট। আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজ রয়েছে।’
অনুমান করা হচ্ছে এই বৈঠক বাতিলের নেপথ্যে রয়েছে ইরান। শুরু থেকেই ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে কোনও বৈঠক হবে না। এরপর মার্কিন প্রতিনিধি দলের জন্য অপেক্ষা না করে, পাক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সেরেই ফিরে আসেন ইরানের প্রতিনিধিরা। মনে করা হচ্ছে, এই ঘটনায় অপমানিত ট্রাম্প পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটেছেন। দ্বিতীয় দফার বৈঠক বাতিল হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ শুরু হয়েছে তবে কি ফের ইরানে যুদ্ধ শুরু করবে আমেরিকা?
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
