কালীঘাটে যেতেই শুভেন্দু অধিকারীকে ‘চোর-চোর’ স্লোগান তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা। অন্য দিক থেকে ভেসে আসে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি। ভিড়ের কারণে শুভেন্দুর কনভয় আটকে যায়। কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জী রোডের সংযোগস্থলে জয়হিন্দ ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অভিযোগ করেন, তাঁর উপর বহিরাগতরা আক্রমণ করছেন। তিনি ফোন করে সিআরপিএফ ডাকেন।

কালীঘাটে যেতেই শুভেন্দু অধিকারীকে ‘চোর-চোর’ স্লোগান তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা। অন্য দিক থেকে ভেসে আসে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি। ভিড়ের কারণে শুভেন্দুর কনভয় আটকে যায়। কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জী রোডের সংযোগস্থলে জয়হিন্দ ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অভিযোগ করেন, তাঁর উপর বহিরাগতরা আক্রমণ করছেন। তিনি ফোন করে সিআরপিএফ ডাকেন। পাল্টা তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মমতার ভ্রাতৃবধূ কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন মিথ্যা কথা বলছেন শুভেন্দু। তিনি প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন ভোটারদের। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছয়। শুরু হয় লাঠিচার্জ।

কেন্দ্রীয় বাহিনী আসতেই জটলামুক্ত হয় এলাকা। তার মধ্যে কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে নিয়ে যান তৃণমূল কর্মীরা। যদিও উত্তেজনা থামেনি। শুভেন্দু অধিকারী পায়ে হেঁটে পাল্টা দাপট দেখাতে শুরু করেন। বিক্ষোভকারীদের দিকে দৌড়ে যেতে দেখা যায় শুভেন্দুকে। পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত রয়েছে।

এদিন সকাল থেকেই ভবানীপুরের একাধিক এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন শুভেন্দু। তিনি মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এই বুথেই ভোট দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সকালবেলা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই কেন্দ্রেই ভোট দেন। এরপর তিনি হরিশ মুখার্জী রোডের সংযোগস্থলে ‘জয় হিন্দ ভবন’-এর সামনে পৌঁছতেই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূলের কর্মীরা। বিক্ষোভের মধ্যে থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু গাড়িতে ওঠেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You missed