হায়দরাবাদ: কিছুদিন আগেই কেরলের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বিপুল জয়ের মুখ দেখেছে বামেরা। শুধুমাত্র তিরুঅনন্তপুরমে ৩১টি কলেজের মধ্যে ২৯টিতে জয়ী হয়েছে এসএফআই (SFI)। আর এবার হায়দরাবাদ সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতেও বিপুল জয়ের মুখ দেখল বামেরা। এসএফআই-এর উল্লেখযোগ্য ফলাফলে উচ্ছ্বসিত বাম নেতৃত্ব। এবিভিপি-র হাত থেকে ছাত্র সংসদ ছিনিয়ে নিল তারা।
২০১৯ পর্যন্ত এই বিশ্ববিদ্যালয় ছিল এসএফআই (স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া) ও আম্বেদকর স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের শক্ত ঘাঁটি। তারা চিরকাল একসঙ্গেই লড়াই করেছে। কিন্তু ২০২৫ সালে ছবিটা বদলে যায়। দুই দল পৃথকভাবে লড়াই করায় জয় ছিনিয়ে নেয় এবিভিপি। সেটাই ছিল তাদের প্রথম জয়। তবে ২০২৬-এ আবার একজোট হয়েছে এলএফআই ও আম্বেদকর স্টুডেন্টস। আর তাতেই পিছিয়ে পড়ল এবিভিপি (অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ)।
সম্প্রতি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয় এবিভিপি। কিন্তু হায়দরাবাদে সেই ছবি দেখা গেল না। এবার অবশ্য শুরু থেকেই আশাবাদী ছিল বামেরা। তাদের বক্তব্য ছিল, এবিভিপি-র সঙ্গ ছেড়ে ইতিমধ্যেই অনেকে এসএফআই-তে যোগ দিয়েছেন, ফলে ফলাফল ভালো হওয়া সম্ভব।
উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়ে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন দিলশাদা রাইহান। জোট প্রার্থী হিসেবে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী হয়েছেন ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়নের কোরা নীতিন চৌহান। এছাড়া পিএইচডি বোর্ড মেম্বার হিসেবে জয়ী হয়েছেন এসএফআই-এর হাশিতা।
এই জয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন এসএফআই-এর সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য। তিনি জানিয়েছেন, কেরলে কয়েকদিন আগে ৬৫০ কলেজের মধ্যে ৬০৯ টা কলেজে জিতেছে এসএফআই। তিনি আরও জানিয়েছেন, দিলশাদা কেরলের কান্নুরের মেয়ে।
