সরকারি প্রকল্পের অনুমোদন ও কাজের গতি বাড়াতে বিভিন্ন দপ্তরের আর্থিক ক্ষমতা বাড়াল রাজ্য সরকার। কোন দপ্তর কত টাকা পর্যন্ত প্রশাসনিক অনুমোদন ও আর্থিক মঞ্জুরি দিতে পারবে, তা নতুন করে নির্ধারণ করেছে অর্থদপ্তর।
কোনও কাজ বাস্তবায়িত করার ক্ষেত্রে সবসময় অর্থদপ্তরের ছাড়পত্রের প্রয়োজন হলে অযাথা সেই কাজে দেরি হয়। তা এড়াতেই সব দপ্তরের আর্থিক ক্ষমতা বাড়ালো নবান্ন। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, পূর্ত, সেচ ও জলপথ, জনস্বাস্থ্য কারিগরি, পুর ও নগরোন্নয়ন, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ এবং পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর সর্বোচ্চ ৬ কোটি টাকা পর্যন্ত প্রকল্পে প্রশাসনিক অনুমোদন ও আর্থিক মঞ্জুরি দিতে পারবে। এর আগে এই দপ্তরগুলো সর্বোচ্চ ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারত। অর্থাৎ এই দপ্তরগুলির ক্ষমতা বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হল।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন, পুর ও নগরোন্নয়ন সংক্রান্ত অন্য দপ্তর এবং সুন্দরবন বিষয়ক দপ্তরের ক্ষেত্রে এই আর্থিক সীমা ধার্য করা হয়েছে ৩ কোটি টাকা। যা এতদিন ছিল ১ কোটি টাকা। বাকি সমস্ত দপ্তর সর্বোচ্চ ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অনুমোদন দিতে পারবে। এই দপ্তরগুলোর খরচের সীমা আগে ৭৫ লক্ষ টাকা ছিল।
তবে আর্থিক ক্ষমতা বাড়লেও অনুমোদনের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত বহাল রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বাজেট বরাদ্দ, চলতি প্রকল্পের আর্থিক দায়বদ্ধতা এবং দপ্তরের আর্থিক উপদেষ্টার সম্মতি বিবেচনা করেই অনুমোদন দিতে হবে। নতুন প্রকল্পের পাশাপাশি সংশোধিত প্রশাসনিক অনুমোদনের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম কার্যকর হবে। সরকারের আশা, আর্থিক অনুমোদনের জন্য বারবার উচ্চতর কর্তৃপক্ষের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন কমবে। ফলে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের অনুমোদন ও বাস্তবায়নের কাজে আরও গতি আসবে। নির্দেশিকাটি অবিলম্বে কার্যকর করার কথা জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
