এক্সিট পোল নিয়ে যাবতীয় জল্পনা উড়িয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এক্সিট পোলে নিজেদের জয় দেখাতে সংবাদ মাধ্যমকে বাধ্য করেছেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহরা। সত্যি দেখালে শেয়ার বাজারে ধস নামবে বলেই এমনটা করা হয়েছে। ফলে যা দেখানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভুল। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে তৃণমূলই আবার ক্ষমতায় আসছে।”
এই বিষয়ে আরও খবর
তাঁর কথায়, “কাল বেলা ১টা ৮ মিনিট নাগাদ আমি খবরটা পাই। বিজেপি অফিস থেকে ফোর্সফুলি বলে দেওয়া হয়েছে এটা তোমাদের করতেই হবে। সত্যিটা দেখানো যাবে না। কারণ হল, আমরা ২২৬ ক্রস তো করবই, ২৩০-ও পেয়ে যেতে পারি।” মমতা আরও বলেন, “এই একই জিনিস ২০১৬ সাল, ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটেও হয়েছে। সবটাই করা হয়েছে বিজেপির কথায়। এবারও উল্টোপাল্টা খবর দেওয়ার কারণ, যাতে আমাদের কর্মীদের মনোবল ভেঙে যায়। শেয়ার বাজারে ধস নামলে আসল সত্যিটা বেরিয়ে পড়ত। এটা পুরোটাই বিজেপির চক্রান্ত।”
ভোটের দিন দুপুরেই তৃণমূল নেত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন বিকেল পাঁচটার পর থেকে চ্যানেলগুলিতে মিথ্যা সমীক্ষা দেখানো হবে। এর মূল কারণ, নিজেদের কর্মীদের চাঙ্গা করা। বিজেপির হাজার হাজার বুথে কোনও এজেন্ট দিতে পারেনি। কাউন্টিংয়েও থাকবে না। বাস্তবে মমতার সেই কথা মিলে যায়। এক্সিট পোল দেখে তৃণমূল কর্মীরা মনমরা হয়ে পড়েন। সেই প্রেক্ষিতেই এদিন নেত্রী স্বয়ং ফেসবুকে ভিডিও বার্তার মধ্য দিয়ে দলকে আশ্বস্ত করেন। তিনি জানিয়ে দেন, ‘অতীতেও এক্সিট পোল মেলেনি, ভবিষ্যতেও মিলবে না। তৃণমূল আবার বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আসবে। সেই সংখ্যাটা ২৩০ অবধি পৌঁছে যেতে পারে।’ মমতা আরও অভিযোগ করেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী ভয়ংকর অত্যাচার করেছে। একজন মারা গিয়েছে। মেয়েদের উপর হামলা হয়েছে। তৃণমূল কর্মীদের ধরে ধরে মারা হয়েছে। বেহালাতেও অত্যাচার করা হয়েছে গতকাল রাতে। সবটাই হয়েছে অমিত শাহর নির্দেশে। কর্মীদের বলব বিজেপির প্ররোচনায় পা দেবেন না। সবাই শান্ত থাকুন।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
