প্রকৃতির রুদ্ররোষে বিধ্বস্ত নেপাল। তিব্বত থেকে ধেয়ে আসা হড়পা বানে ভয়াবহ পরিস্থিতি সেখানে। এর মাঝেই পোখরায় শুটিং করতে গিয়ে এহেন বিধ্বংসী পরিস্থিতিতে আটকে পড়েন খরাজ মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সকালেই নেপাল থেকে ফোনে ধরা দিয়ে ঘুরপথে কলকাতায় ফেরার কথা জানিয়েছিলেন অভিনেতা। নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে শুক্রবার দুপুরে শেষমেশ শহরে পা রাখলেন খরাজ। চোখেমুখে ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট। বিধ্বস্ত চেহারা। সস্ত্রীক কলকাতায় ফিরে কী জানালেন?

“পোখরায় ছিলাম। এবং সেখানে অনেকরকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে আমাদের। যার জেরে…” 

আরও পড়ুন:

এদিন বিমানবন্দরের বাইরে থেকেই স্ত্রী প্রতিভা মুখোপাধ্যায়কে পাশে নিয়ে এক ভিডিও বার্তায় খরাজ জানান, “আপনারা সকলেই বড় চিন্তায় ছিলেন। নেপালে শুটিং করতে গিয়ে আমি আটকে যাই। পোখরায় ছিলাম। এবং সেখানে অনেকরকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে আমাদের। যার জেরে নানানভাবে ঘুরে গোরক্ষপুরে যাই। এবং সেখান থেকে আমি আর প্রতিভা (স্ত্রী), আমরা দু’জনে ওখান থেকে বিমান ধরে এইমাত্র কলকাতায় ফিরলাম। শুধুমাত্র আপনাদের ভালোবাসাই আমাকে আবার ফিরিয়ে এনেছে। অসংখ্য ধন্যবাদ। সামনে আরও সুন্দর সুন্দর কাজ আমি আপনাদের উপহার দেব, আশা রাখি। আর আপনারা এই কঠিন সময়ে যেভাবে আমার মঙ্গলকামনা করেছেন, সেজন্য আমি ধন্য।” নেপালে হড়পা বান আছড়ে পরার পর বিগত আটচল্লিশ ঘণ্টায় অনুরাগীদের অনেকেই খরাজ মুখোপাধ্যায়ের কুশল-মঙ্গল জানতে চেয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। অবশেষে অভিনেতাকে শহরে ফিরতে দেখে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন তাঁরা। সেসব শুভাকাঙ্ক্ষীদের করজোড়ে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি ভালো থাকার বার্তাও দিলেন খরাজ।

Nepal Flood: Kharaj Mukherjee shares experience from devastated Nepal
বিধ্বস্ত নেপালে আটকে ছিলেন খরাজ মুখোপাধ্যায়

 বৃহস্পতিবার পোখরা থেকে খরাজ জানান, কী প্রচণ্ড ভুগছি। গতকাল জঙ্গলে একটা সিকোয়েন্সের শুটিং করছিলাম। সেখানে বৃষ্টির মধ্যে প্রায় ৫ ঘণ্টা টানা জঙ্গলে বসে থাকতে হয়। খুব কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেই ছিলাম। ওর মধ্যেই শুটের ব্যবস্থা করা হয় কিন্তু অনেকক্ষণ শুটিং ব্যাহত হয়। একবার নয় বহুবারই এমন হয়েছে। আজকে কাঠমান্ডু থেকে টিকিট করা ছিল। কিন্তু সেই টিকিকের টাকা আবার ফেরতযোগ্য নয়। সেইজন্য আমি টিমকে বলেছিলাম ২৬ তারিখ যেন তাড়াতাড়ি শুটিংটা সেরে ফেলা যায়। তো আমাদের শুটিং যখন শেষ হল, ফ্লাইটের টিকিট সব বুক হয়ে গিয়েছিল। এদিকে রাস্তাও বন্ধ। ফলত কাঠমান্ডু যাওয়ার কোনও উপায় হল না।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *