Happy Janmashtami 2026: দেশজুড়ে ধুমধাম করে পালিত জন্মাষ্টমীর এই পুণ্যতিথিতে ভক্তদের প্রার্থনার অন্যতম মূল অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে ভক্তিগীতি ও কীর্তন। প্রাচীন লোকসঙ্গীত থেকে আধুনিক বাংলা ভক্তিমূলক গান। জানুন আরও বিশদে সম্পূর্ণ প্রতিবেদন পড়ে।

Happy Janmashtami 2026: ভাদ্র মাসের কৃষ্ণাষ্টমী তিথিতে উদযাপিত হলো ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মোৎসব—জন্মাষ্টমী। দেশজুড়ে ধুমধাম করে পালিত এই পুণ্যতিথিতে ভক্তদের প্রার্থনার অন্যতম মূল অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে ভক্তিগীতি ও কীর্তন। প্রাচীন লোকসঙ্গীত থেকে আধুনিক বাংলা ভক্তিমূলক গান—সবখানেই কানহাইয়ার রূপ, প্রেম ও লীলার স্তুতি প্রকাশিত হয়েছে। ভজন ও কীর্তনের চিরন্তন সুরজন্মাষ্টমীর মধ্যরাতে শ্রীকৃষ্ণের মহাঅভিষেক ও পূজার সময় ঘরে ঘরে বাজে ঐতিহ্যবাহী ভক্তিগীতি।

বাংলায় প্রভাতফেরি ও কীর্তনে “হরে কৃষ্ণ” মহামন্ত্র এবং বাউল-বৈষ্ণব সাহিত্যের কালজয়ী পদগুলি ভক্তদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত কৃষ্ণবিষয়ক আধ্যাত্মিক গান থেকে শুরু করে কাজী নজরুল ইসলামের অমর সৃষ্টি “ত্রিভুবনের প্রিয় মোহাম্মদ” বা শ্যামাবিষয়ক ও বৈষ্ণব ভাবাশ্রিত ভজন—বাঙালি সঙ্গীত সংস্কৃতিতে শ্রীকৃষ্ণের প্রভাব অপরিসীম। জনপ্রিয় বাংলা কৃষ্ণনাম ও জন্মাষ্টমীর গানবাঙালি ভক্তদের কাছে চিরকাল যে গানগুলি উৎসবের পরিবেশ তৈরি করে:”গুরু গোবিন্দ গোপাল হে” / “হরে কৃষ্ণ হরে রাম”:

নামসংকীর্তনের মূল ভিত্তি।”আমার কালো পাখি”: বৈষ্ণব পদাবলীর আধুনিক পরিবেশনা।”হৃদয় মাঝে রাখবো ছেড়ে দেব না”: লোকসঙ্গীতের সুরে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমভাব।প্রচিলাইত ভজন ও বাউল গান: “যশোদা মায়ার গোপাল”, “বৃন্দাবন বিহারী” ইত্যাদি ভক্তিমূলক গীতি।আধুনিক যুগে কৃষ্ণ গীতের প্রভাবশুধু প্রথাগত মন্দি মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, ডিজিটাল যুগেও ইউটিউব, সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন মিউজিক প্ল্যাটফর্মে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে নতুন নতুন ভক্তিগীতি ও ফিউশন ভজন মুক্তি পায়। প্রবীণ থেকে নতুন প্রজন্ম—সব বয়সের মানুষই কৃষ্ণের শিশু রূপ (গোপাল), মাখন চুরির লীলা কিংবা গীতার মহা উপদেশের সুরের মাধুর্যে মুগ্ধ হচ্ছেন।

ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে দেশজুড়ে আনন্দ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে শুভ জন্মাষ্টমী। ঘরে ঘরে বালোগোপালের আরাধনা ও পূজা-অর্চনায় ব্যস্ত ভক্তকূল। তবে পুজোর অনুষঙ্গের পাশাপাশি বাঙালি মধ্যবিত্তের রান্নাঘরে আজ উৎসবের প্রধান আকর্ষণ ‘তালের সোঁদা স্বাদ’।

বাঙালির জন্মাষ্টমী উদযাপনে তালের তৈরি নানা পদ ছাড়া আয়োজন যেন অপূর্ণ থেকে যায়। মাখন আর ননী গোপালের অত্যন্ত প্রিয় হলেও, তালের ক্ষীর, তালের বোরো (ফুলুরি) এবং তালের লুচির লোভনীয় গন্ধে আজ মুখরিত প্রতিটি গৃহস্থালির চারপাশ।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *