এক লহমায় সব শেষ! নিমেষে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল একটি পরিবার! কেরলের ত্রিশূরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে বাইকে চেপে ফিরছিলেন মুনির। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ও তিন বছরের ছেলে। মাঝপথে একটি ফোন কল এসেছিল যুবকের। তাই বাইক দাঁড় করিয়ে ফোনে কথা বলছিলেন। ঠিক সেই সময় বাইকে ধাক্কা মারে একটি বেপরোয়া গাড়ি। তীব্র আঘাতে রাস্তায় ছিটকে পড়েন তিনজন। তাতেই মৃত্যু হল সকলের।

শনিবার রাতে এই ঘটনা গুরুভায়ুর-কুন্নামকুলাম হাইওয়ের। প্রত্যক্ষদর্শী পথচারীরা জানান, গাড়িটি তীব্র গতিতে ধাক্কা মারায় প্রায় পঞ্চাশ মিটার দূরে ছিটকে পড়েন বছর পয়ত্রিশের মুনির, পঁচিশ বছরের সাফনা এবং তাঁদের তিন বছরের পুত্র সন্তান ইয়ামাল। ওই পথচারীরাই তাঁদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন। যদিও চিকিৎসকরা জানান ইতিমধ্যে মৃত্যু হয়েছে বাবা-মা ও তাঁদের সন্তানের।

আরও পড়ুন:

পুলিশ জানিয়েছে, পথাচারীরা পুলিশে খবর দিয়েছিলেন। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে গাড়িটিকে চিহ্নত করা হয়। কুন্নমকুলামের দিক থেকে আসছিল গাড়িটি। ওই গাড়ির আরোহীরা একটি পানশালা থেকে ফিরছিলেন বলেই জানা গিয়েছে। গাড়ির দুই আরোহীকে গ্রেপ্তার করা গেলেও চালকের হদিস মেলেনি।

আরও পড়ুন:

অন্যদিকে মুনিরের পরিবার জানায়, পরিচিতের বিয়েতে সপরিবার গিয়েছিলেন যুবক। খাওয়াদাওয়া সেরে ফিরতে রাত হয়ে গিয়েছিল। ফোন আসায় বাইকটিকে রাস্তার একপাশে দাঁড় করিয়ে কথা বলছিলেন। তখনই আচমকা একটি গাড়ি এসে ধাক্কা মারে। বেশি রাত হওয়ায় বেশ খানিকক্ষণ রাস্তাতেই পরেছিলেন তিনজন। এরপর পথচারীরা প্রথমে পুলিশে খবর দেন। পরে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যান। যদিও চিকিৎসাকরা জানান, আগেই মৃত্যু হয়েছে তিনজনের।

উল্লেখ্য, আগের দিন শুক্রবার রাতেও ভয়ংকর দুর্ঘটনা ঘটে ত্রিশূরের ৬৬ নম্বর জাতীয় সড়কে। দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা মারে একটি গাড়ি। এর ফলে ওই গাড়িতে থাকা তামিলনাড়ুর বাসিন্দা আটজন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র প্রাণ হারান।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *